shono
Advertisement
Bangladesh

বাংলাদেশে ভোটের আগে চাপ বাড়াচ্ছে ইনকিলাব মঞ্চ! হাদি হত্যার তদন্তে রাষ্ট্রসংঘের দ্বারস্থ ইউনুস

এনিয়ে UNHCHR-এর কাছে কূটনৈতিক পত্র পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশের তরফে। আবেদন নিয়ে কী জানাল জেনেভার কার্যালয়?
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 08:56 PM Feb 08, 2026Updated: 09:01 PM Feb 08, 2026

ভোটের আগে বাংলাদেশে ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপর চাপ বাড়াচ্ছে ইনকিলাব মঞ্চ। জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ তথা ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সুবিচার নিয়ে চাপ বাড়ছে। সেই চাপের মুখে এবার হাদিহত্যার তদন্তে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দ্বারস্থ ইউনুস। রবিবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এই খবর জানিয়েছে।

Advertisement

ইউনুসের প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, বিদেশ মন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী জেনেভার বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন গত ৬ ফেব্রুয়ারি ওএইচসিএইচআর অর্থাৎ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ে একটি আনুষ্ঠানিক ‘নোট ভারবাল’ (কূটনৈতিক পত্র) পাঠিয়েছে। নোটে ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্তে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দেওয়ার জন্য ওএইচসিএইচআরের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। জেনেভায় বাংলাদেশ মিশন থেকে পাঠানো বার্তায় জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়ামাত্রই তা বিদেশ মন্ত্রককে জানানো হবে। প্রেস উইং আরও জানিয়েছে, শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকাণ্ডে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের মানদণ্ড অনুসরণ করে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে।

ইউনুসের প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, বিদেশ মন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী জেনেভার বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন গত ৬ ফেব্রুয়ারি ওএইচসিএইচআর অর্থাৎ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ে একটি আনুষ্ঠানিক ‘নোট ভারবাল’ (কূটনৈতিক পত্র) পাঠিয়েছে। নোটে ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্তে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দেওয়ার জন্য ওএইচসিএইচআরের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলন থেকে উঠে আসা শরিফ ওসমান বিন হাদি পরবর্তী সময়ে ইনকিলাব মঞ্চ গড়েছিলেন। তিনি ছিলেন আহ্বায়ক। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ে শামিলও হয়েছিলেন। কিন্তু গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন মডেল থানা এলাকার বক্স কালভার্ট রোডে দিনেদুপুরে তাঁকে গুলিতে ঝাঁজরা করে দেয় দুষ্কৃতীরা। ঢাকার দুটি হাসপাতালের পর সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান।

হাদি হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবিতে গত প্রায় তিনমাস ধরে আন্দোলন করে যাচ্ছে ইনকিলাব মঞ্চ। সম্প্রতি এই ঘটনার তদন্ত ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের অধীনে হোক, এই দাবি তুলেছে ইনকিলাব মঞ্চ। ভোটের মুখে চাপে পড়েই সেই দাবিতে সায় দিল ইউনুসের অন্তবর্তী সরকার। এখন মানবাধিকার কমিশনের তরফে কী বার্তা আসে, সেদিকে তাকিয়ে সব মহল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement