বিএনপি-র চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেই (Tarique Rahman) প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে দেখতে চান বাংলাদেশের ৪৭ শতাংশ মানুষ। এমনটাই দাবি করা হল একটি সমীক্ষায়। সমীক্ষায় আরও দাবি, শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগের ভোটব্যাঙ্কের একটা বড় অংশও এবার সদ্যপ্রয়াত খালেদা জিয়ার দল বিএনপি-র ঝুলিতেই যাবে। তাতে ভর করেই আসন্ন ভোটে ক্ষমতায় আসতে চলেছেন তারেক।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন (Bangladesh Election)। তার আগে এই সমীক্ষা করেছে বাংলাদেশের বেসরকারি পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান ইনোভেশন কনসাল্টিং। সমীক্ষাটির নাম ‘পিপল্স ইলেকশন পাল্স সার্ভে’। গত ১৬-২৭ জানুয়ারির মধ্যে হওয়া এই সমীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ৫১৪৭ জন। দেশের ৬৪টি জেলার শহর এবং গ্রামের মানুষদের সঙ্গে কথা বলেই এই সমীক্ষা হয়েছে।
সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, তারেকই প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে মনে করছেন বাংলাদেশের ৪৭.৬ শতাংশ মানুষ। অন্য দিকে, জামাতের প্রধান শফিকুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী দেখতে চাইছেন ২২.৫ শতাংশ মানুষ। ছাড়া, এনসিপি-র নাহিদ ইসলামকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখেছেন ২.৭ শতাংশ মানুষ। ২২.২ শতাংশ কোনও পক্ষে মতামত জানাতে চাননি। সমীক্ষায় দাবি, তারেকের বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের পরেই বিএনপি-র জনসমর্থন অনেকটা বেড়েছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদার মৃত্যুতেও সাধারণ মানুষের মধ্যে আবেগ তৈরি হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে (Bangladesh Election) লড়ছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনার দল। কিন্তু তাদের ভোটব্যাঙ্ক কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে কৌতূহল রয়েছে জনমানসে। সমীক্ষায় দাবি, হাসিনাদের ভোটব্যাঙ্কের ৩২.৯ শতাংশই এবার বিএনপি-কে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জামাতকে ভোট দেওয়ার কথা ভেবেছেন ১৩.২ শতাংশ। বাকি ৪১.৩ শতাংশ এখনও এ ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। অর্থাৎ, আওয়ামি লিগের সর্বনাশে বিএনপি-রই পৌষমাস বলে দাবি সমীক্ষায়। শুধু তা-ই নয়, গত কয়েকদিনে জামাত এবং এনসিপি-র সমর্থকদের একাংশও বিএনপি-র দিকেই ঝুঁকেছেন বলে দাবি।
আগামী ১২ তারিখ সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ অনুসারে সংবিধানের মৌলিক সংস্কারের জন্য একটি গণভোটের আয়োজনও করেছে ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ৬০ শতাংশ মানুষ গণভোটের পক্ষ মত দিয়েছেন।
