রাতারাতি ক্ষমতাচ্যুত হয়ে বাংলাদেশের (Bangladesh) তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) দেশত্যাগী হওয়ায় এখন মহা বিপদে দেশের এক রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ। হাসিনা আমলে খাবারের বিল বাবদ আড়াই কোটি টাকা বকেয়া! সেই বিল মেটাতে নারাজ বর্তমানের অন্তর্বর্তী সরকারও। আর তাতেই বড়সড় আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছে ওই রেস্তরাঁ। ওই অর্থ কীভাবে আদায় করা যায়, তা নিয়ে চিন্তিত বাংলাদেশের পর্যটন কর্পোরেশনও। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনুসের প্রশাসনিক বিভাগের এক কর্তা জানিয়েছেন, সাধারণত এধরনের বিল মিটিয়ে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে হয়ত অন্য জটিলতা রয়েছে। খতিয়ে দেখতে হবে।
যে রেস্তরাঁর তরফে হাসিনা জমানায় খাবারের বকেয়া বিল নিয়ে এই সমস্যার কথা তোলা হয়েছে, তারা জানিয়েছে, শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) শাসনকালে গণভবন থেকে খাবারের অর্ডার যেত ওই রেস্তরাঁয়। প্রায়শয়ই খাবার পৌঁছে দেওয়া হতো গণভবনে। যেহেতু এই বিশেষ রেস্তরাঁয় থেকেই বারবার খাবার যেত, তাই গণভবন একটি চুক্তি করে নিয়েছিল। বছরের বিল একসঙ্গে কখনও মেটানো হতো, কখনও বকেয়াই থাকত। এভাবেই দিনে দিনে বকেয়ার অঙ্ক দাঁড়িয়েছে আড়াই কোটিরও বেশি। রেস্তরাঁর তরফে চিঠি পাঠিয়ে অন্তর্বর্তী ইউনুস প্রশাসনকে বিস্তারিত হিসেবনিকেশ জানানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ, ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারই শুধু নয়, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও ওই রেস্তরাঁ থেকে খাবার অর্ডার করে থাকে। সেইসব মিলিয়ে মোট পাওনার পরিমাণ ২ কোটি ৮৯ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। শুধুমাত্র হাসিনা আমলেই এর পরিমাণ ছিল প্রায় ২ কোটি ৫৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। আর ২০২৪ সালের আগস্ট মাস থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও বাসভবন প্রায় ৩৪ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকার খাবার ও বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ, ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারই শুধু নয়, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও ওই রেস্তরাঁ থেকে খাবার অর্ডার করে থাকে। সেইসব মিলিয়ে মোট পাওনার পরিমাণ ২ কোটি ৮৯ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। শুধুমাত্র হাসিনা আমলেই এর পরিমাণ ছিল প্রায় ২ কোটি ৫৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। আর ২০২৪ সালের আগস্ট মাস থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও বাসভবন প্রায় ৩৪ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকার খাবার ও বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু কোনও অর্থই এখনও পায়নি রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ (Bangladesh) পর্যটন কর্পোরেশনের তরফে চেয়ারম্যান সায়েমা শাহিন সুলতানা বলেন, ''বিল বকেয়া আছে, এটা সত্যি। তবে এই বকেয়া আদায় করা আমাদের দায়িত্ব নয়। নিয়ম অনুযায়ী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে আমরা কিছু বাকিতে দিতে পারি না। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠানকে নিয়ম মেনে এ ধরনের বকেয়ায় সেবা দেওয়া হয়। তবে এই ক্ষেত্রে কিছু বিল প্রক্রিয়াধীন আছে। বকেয়া আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আগেও চিঠি দিয়েছি। ভবিষ্যতে আবার চিঠি দেব।''
