ভারতের সঙ্গে দূরত্বের বিপরীত যেন পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্ব। শেখ হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশ বারবার বুঝিয়ে দিচ্ছে। এবার ঢাকা-করাচি সম্পর্ক আর দৃঢ় করতে ১৪ বছর পর চালু হল সরাসরি উড়ান। বাংলাদেশের বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারওয়েস জানিয়েছে, প্রথম উড়ানের সমস্ত টিকিট বিক্রি হয়ে গিয়েছে।
২০১২ সালের পর ঢাকা এবং করাচির মধ্যে সরাসরি কোনও বিমান চলেনি। বৃহস্পতিবার রাতে যা শুরু হবে। বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী, রাত ৮টায় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রথম বিমান উড়বে। আপাতত সপ্তাহে দু’দিন করে ঢাকা-করচি বিমান চলাচল করবে।
২০১২ সালের পর থেকে পাকিস্তানে যেতে হলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুবাই অথবা কাতারের দোহা হয়ে যেতে হত। পাকিস্তান থেকেও একই ভাবে ভাঙা পথে বাংলাদেশে আসত বিমান। স্বভাবতই এর ফলে অর্থ ও সময় দু'টোই বেশি লগাত। ঢাকা-করাচি সরাসরি বিমান চালু হওয়ায় সেই সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের বাণিজ্যের পথ এতে আরও প্রশস্ত হবে বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।
প্রসঙ্গত, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে নির্বাচন। বলা বাহুল্য, এই নির্বাচন এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ। শেখা হাসিনাকে বিতারণ, আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার পর দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি ও জামাত শিবির। পাকিস্তানপন্থী জামাতের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদল। এই পরিস্থিতিতে পদ্মাপাড়ে ভারতবিদ্বেষের সঙ্গে বাড়ছে সংখ্যালঘু নির্যাতন। যদিও বারবার সেই দাবি অস্বীকার করছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতারা। বুধবারই একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশে মৌলিক নাগরিক অধিকার চ্যালেঞ্জের মুখে বলে অস্বস্তি বাড়িয়েছে অন্তরবর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুসের।
