shono
Advertisement
Bangladesh

প্রয়োজনমতো তেল কিনতে পারেন, যুদ্ধে জ্বালানি সংকটের মাঝেই বড় ঘোষণা বাংলাদেশ সরকারের

রবিবার থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনও রেশনিং থাকছে না, সবাই চাহিদামতো তেল কিনতে পারবেন বলে ঘোষণা মন্ত্রীর।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 07:04 PM Mar 15, 2026Updated: 07:04 PM Mar 15, 2026

যুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার আঁচ পড়েছিল বাংলাদেশেও। সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। আতঙ্কে স্বাভাবিক চাহিদার চেয়ে দ্বিগুণ হারে জ্বালানি তেল কেনা শুরু হয়। এই অতিরিক্ত তেল কেনা ঠেকাতে উর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। ফিলিং স্টেশনে সরবরাহ কমানো হয়। তবে এবার তা উঠে গেল। যুদ্ধের মাঝে তেল সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেও বড় ঘোষণা করল বাংলাদেশ সরকার। ইদের মুখে জনতার ভোগান্তি ঠেকাতে, সেচের কাজে ডিজেলের চাহিদা পূরণে জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা প্রত্যাহার করে নেওয়া হল। রবিবার ঢাকার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই ঘোষণা করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, ''আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনও রেশনিং থাকছে না। সবাই চাহিদামতো তেল কিনতে পারবেন।''

Advertisement

এক প্রশ্নের জবাবে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ''জ্বালানির সংকট যাতে না হয়, তাই আমদানি বাড়াতে বন্ধুরাষ্ট্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে।'' এর আগে অস্বাভাবিক বিক্রি ঠেকাতে ৬ মার্চ থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহে সীমা বেঁধে দেয় সরকার। তারও আগে ১০ মার্চ রাইড শেয়ার করা মোটরবাইকের জন্য সীমা কিছুটা বাড়ানো হয়। শুরুতে ২ লিটারের সীমা থাকলেও এটি বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৫ লিটার করা হয়। এছাড়া ৭ মার্চ থেকে ফিলিং স্টেশনে চাহিদার চেয়ে ২৫ শতাংশ হারে কম সরবরাহ করা হচ্ছিল। ১১ মার্চ থেকে বিভাগীয় শহরের ফিলিং স্টেশনে ১০ শতাংশ সরবরাহ বাড়ানো হয়। এরপর চাহিদামতো সরবরাহ পাওয়া নিশ্চিত করতে সাংবাদিক সম্মেলনে করে দাবি জানান স্টেশন মালিকরা। সেইমতো রবিবার সাংবাদিক সম্মেলনে করে তাঁদের আশ্বস্ত করলেন মন্ত্রী।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে খবর, জুন পর্যন্ত পরিশোধিত জ্বালানি (ডিজেল, অকটেন) কেনার চুক্তি করা আছে। তবে অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানি ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহকারীরা তেল পরিশোধন করতে সংকটে পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে আগামী মে মাসে তারা চুক্তি অনুসারে তেল সরবরাহে ব্যর্থ হতে পারে। তাই সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি বা উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে বা সরাসরি প্রক্রিয়ায়) তেল কেনার চিন্তা করা হচ্ছে। চুক্তির চেয়ে অতিরিক্ত সরবরাহ চেয়ে ইতিমধ্যে ভারতকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিপিসি সূত্রে জানা যাচ্ছে, দেশে বর্তমানে প্রায় ২ লক্ষ টন ডিজেল মজুত আছে। এর বাইরে আরও প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল আছে, যা জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে। এর মধ্যে জ্বালানি তেল নিয়ে জাহাজ পৌঁছবে বিভিন্ন বন্দরে। তাই সরবরাহ বাড়ানো হলেও মার্চে জ্বালানি তেলের কোনও সংকট হবে না।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement