shono
Advertisement

Breaking News

Bangladesh

‘মবের মুলুক’ পেরিয়ে দিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্ক! তারেককে ফোন মোদির, পালটা ‘ধন্যবাদ’ বিএনপির

ভারত বিদ্বেষ, হিন্দু নির্যাতন, মৌলবাদ মিলিয়ে মবের মুলুকে পরিণত হয়েছিল প্রতিবেশী দেশ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুছে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ান ইউনুস।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 05:16 PM Feb 13, 2026Updated: 06:10 PM Feb 13, 2026

ভারত বিরোধিতা, মৌলবাদের আগুন, পাকিস্তানের অঙ্গুলিহেলন পেরিয়ে অবশেষে গণতন্ত্রের সোজা পথে হাঁটবে বাংলাদেশ? ফিরবে দিল্লি-ঢাকার অতীতের উষ্ণ বন্ধুত্ব? নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর কার্যত সেই ইঙ্গিতই দিল বাংলাদেশের শাসকদল বিএনপি। শুক্রবার নির্বাচন জয়ের পর এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি হবু প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর পালটা ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি বন্ধুত্বের হাত বাড়াল তারেকের দল। 

Advertisement

শুক্রবার সকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তারেক রহমানকে পাঠানো অভিনন্দন বার্তা প্রসঙ্গে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরাও আমাদের দলের পক্ষ থেকে নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।’উল্লেখ্য, শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর দেড় বছরের শাসনকালে অচলবস্থা চরমে উঠেছিল। ভারত বিদ্বেষ, হিন্দু নির্যাতন, মৌলবাদ মিলিয়ে মবের মুলুকে পরিণত হয়েছিল প্রতিবেশী দেশ। শুধু তাই নয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুছে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ান ইউনুস। গোটা ঘটনাকে মোটেই ভালো চোখে দেখেনি ভারত। একাধিকবার কূটনৈতিক ঠোকাঠুকি লেগেছে দুই দেশের।

বিএনপির বার্তা, ‘আমরাও আমাদের দলের পক্ষ থেকে নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।’

জটিল সেই পরিস্থিতি পেরিয়ে অবশেষে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশে। প্রতিপক্ষ তথা মৌলবাদের জনক জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। অচলবস্থা পেরিয়ে নতুন করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে সেখানকার জনগণ। এই অবস্থায় বিএনপির তরফে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্কের বার্তা একদিকে দিল্লির জন্য যেমন আশার আলো, অন্যদিকে পাকিস্তানের জন্য অশনি সংকেত। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে ভাব জমিয়েছিল পাকিস্তানের আইএসআই। সেই জামাত ভোটে হেরে যাওয়ায় বাংলাদেশকে বোড়ে হিসেবে ব্যবহার করে ভারতকে অশান্ত করার পাক ষড়যন্ত্র বড় ধাক্কা খেল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

উল্লেখ্য, বিএনপির জয়ের পর শুক্রবার এক্স হ্যান্দেলে প্রধানমন্ত্রী মোদি লিখেছিলেন, ‘বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপিকে এই বিরাট জয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি তারেক রহমানকে আমার উষ্ণ অভিনন্দন জানাই।’আরও একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘এই জয় আপনার নেতৃত্বের ওপর বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন।' ভারত ‘গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন’ অব্যাহত রাখবে বলেও বাংলাদেশের আসন্ন সরকারকে আশ্বস্ত করেন মোদি। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের বহুমুখী সম্পর্ক জোরদার করতে এবং আমাদের সাধারণ উন্নয়ন লক্ষ্যগুলোকে এগিয়ে নিতে আপনার সাথে কাজ করার জন্য আমি উন্মুখ।' এরপর এক্স হ‌্যা‌ন্ডে‌লে এক পো‌স্টে মোদি জানান, ‘জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলতে পেরে আনন্দিত। বাংলাদেশের নির্বাচনে অসাধারণ জয়ের জন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছি।'

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement