ভোটমুখী বাংলায় এসআইআর-এ এখনও বিবেচনাধীন ৬০ লক্ষ ভোটার। সেই তালিকায় রয়েছেন বহু মতুয়া। তার ফলে স্বাভাবিকভাবেই চিন্তিত তাঁরা। মতুয়া মহা ধর্মমেলা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছেন অনেকেই। এই আবহে মতুয়াদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শুভেচ্ছার নেপথ্যে রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছেন কেউ কেউ। রাজনৈতিক মহলের মতে, এসআইআর (SIR in West Bengal) ক্ষতে প্রলেপ দিতে বাংলায় লিখে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অমিত শাহ।
তিনি পোস্টে লেখেন, "পূর্ণব্রহ্ম পূর্ণাবতার শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের ২১৫তম শুভ আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে আয়োজিত, পবিত্র মতুয়া ধর্ম মহামেলা ও পুণ্য স্নানের এই শুভক্ষণে মতুয়া সম্প্রদায়ের সকল ভাই ও বোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। শ্রীশ্রী ঠাকুর ছিলেন এক মহান ও ঐশ্বরিক আত্মা। তিনি আমাদের চিরন্তন জ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতার গভীরে প্রবেশ করে ভক্তি, সাম্য ও নৈতিক জীবনবোধের অমূল্য বাণী তুলে ধরেছিলেন, যা আজও আমাদের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করছে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনায় অনুষ্ঠিত মতুয়া ধর্ম মহামেলা ২০২৬-এ এই মহান আদর্শগুলির প্রতি আমাদের অঙ্গীকার আরও দৃঢ় হোক এই প্রার্থনাই করি।"
উল্লেখ্য, রাজ্য তথা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন মতুয়া ভক্তরা। পুণ্যস্নান উপলক্ষে উত্তরাখণ্ড, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিশেষ ট্রেন এবং এক্সপ্রেসে চড়ে ভক্তরা ঠাকুরনগরে আসেন। আন্দামানে থাকা মতুয়া ভক্তরাও আসবেন ঠাকুরনগরে। অতীতে মেলার আয়োজন নিয়ে বনগাঁ বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে বনগাঁর প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মমতা ঠাকুরের মধ্যে বারবার বিরোধ ফুটে উঠেছে। মতুয়া ভক্তরাও দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এবারই প্রথম ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে থাকা তিনটি অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘ একসঙ্গে মেলার আয়োজন করছেন।
