বাংলায় চলা এসআইআর নিয়ে উঠছে একাধিক অভিযোগ। ছোট্ট ভুলেও মানুষকেও এসআইআরের নোটিস পাঠানো হচ্ছে বলে উঠছে অভিযোগ। যা নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এমনকী সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। শুধু তাই নয়, জনমানসের মধ্যেও বাড়ছে ক্ষোভ। এর মধ্যেই এক মাইক্রো অবজার্ভারকে হেনস্তার অভিযোগ। এক ভোটার শুনানি চলাকালীনই তাঁকে কষিয়ে থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যে ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।
ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জ বিডিও অফিসে। খুব শীঘ্রই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। তার আগে জোরকদমে রাজ্যে চলছে এসআইআর সংক্রান্ত কাজ। কুমারগঞ্জ বিডিও অফিসে সেই কাজ চলছিল। মাইক্রো অবজার্ভার দিব্যেন্দু গড়াই এই সংক্রান্ত কাজ করছিলেন। অভিযোগ, সেই কাজ চলাকালীন হঠাৎ করেই বেশ কয়েকজন দিব্যেন্দু গড়াইয়ের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। সেই সময় হঠাৎ করেই মাইক্রো অবজার্ভার দিব্যেন্দু গড়াইকে কষিয়ে এক ব্যক্তি থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগ।
যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। কোনও রকমে পরিস্থিতি সামাল দেয়। জানা গিয়েছে, ঘটনার পরেই আক্রান্ত ওই মাইক্রো অবজার্ভার পুলিশে ইমেলের মাধ্যমে অভিযোগ জানিয়েছেন। যদিও এখনও পর্যন্ত ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তবে ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, প্রথমদিন থেকে নির্বাচন কমিশনের কাজে বিভিন্নভাবে বাধা দিচ্ছে শাসকদল। এবার কমিশনের কর্মী, আধিকারিকদের উপরেও হামলা ছক কষা হচ্ছে। এর পিছনে তৃণমূলই দায়ী বলে দাবি নেতৃত্বের। যদিও এহেন অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে শাসকদল।
বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগেও বারুইপুর থানা সংলগ্ন এলাকায় এক ভোটারের হাতে আক্রান্ত হতে হয় এক মহিলা বিএলওকে। মানসিক চাপে রীতিমতো ভেঙে পড়েন তিনি। এমনকী কাজ থেকেও অব্যাহতি চেয়ে কমিশনের কাছে আবেদন জানান।
