নিউজিল্যান্ড: ১৫৩/৯ (ফিলিপস ৪৮, বুমরাহ ৩/১৭)
ভারত: ১৫৫/২ (অভিষেক ৬৮*, সূর্যকুমার ৫৭*)
আট উইকেটে জয়ী ভারত।
টি-২০ বিশ্বকাপের প্রি-টেস্টে একেবারে লেটার মার্কস নিয়ে পাশ করে গেল গতবারের চ্যাম্পিয়ন মেন ইন ব্লু। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ জিতে নিলেন সূর্যকুমার যাদবরা, দুই ম্যাচ বাকি থাকতেই। প্রত্যেকটা ম্যাচেই দাপুটে পারফরম্যান্স করেছে ভারতীয় দল। দিনপনেরো পর থেকে দেশের মাটিতে শুরু হচ্ছে টি-২০ বিশ্বকাপ। সেখানে খেতাব জয়ের আশায় বুক বাঁধছেন ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা।
গুয়াহাটিতে ভারতের টসভাগ্য প্রসন্ন ছিল। প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন সূর্য। এই ম্যাচে জশপ্রীত বুমরাহ এবং রবি বিষ্ণোই দলে ফেরেন। টিম ম্যানেজমেন্টের এই চালেই মাত কিউয়িরা। দুই বোলারের ঝুলিতে যায় মোট পাঁচ উইকেট। আট ওভার বল করে মাত্র ৩৫ রান খরচ করেছেন। আঁটসাট বোলিং সামলে কোনওক্রমে দেড়শো পেরয় নিউজিল্যান্ড। এই সামান্য টার্গেট তো অভিষেক শর্মাদের কাছে নস্যি। ঝড়ের গতিতে রান তুলে দিয়ে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে ফেলল ভারতের ব্যাটিং লাইন আপ।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত ৩ উইকেট খুইয়ে প্রবল বিপদে পড়ে গিয়েছিল কিউয়ি ব্রিগেড। সেখান থেকে গ্লেন ফিলিপস ও মার্ক চ্যাপম্যান নিউজিল্যান্ডকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। ৫১ রানের জুটি গড়েন। তবে প্রত্যেকটি রানের জন্য রীতিমতো সংগ্রাম করতে হয়েছে ডেভন কনওয়েদের। ২০ ওভার শেষে কার্যত ধুঁকতে ধুঁকতে ১৫৩ পর্যন্ত পৌঁছয় নিউজিল্যান্ডের স্কোর। বুমরাহ ৩, বিষ্ণোই ২, হার্দিক ২, হর্ষিত ১টি করে উইকেট নেন।
১৫৪ রানের টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে অবশ্য প্রথম বলেই আউট হয়ে যান সঞ্জু স্যামসন। তাতে এতটুকু চাপে পড়েনি ভারত। বরাবরের পরিচিত সংহারমূর্তি ধারণ করেন অভিষেক। সঙ্গী গত ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি হাঁকানো ঈশান কিষান। পরপর দুই ছক্কা আসে ঈশানের ব্যাট থেকে। তবে ২৮ রান করে আউট হয়ে যান তিনি। সেখান থেকে ক্যাপ্টেনের সঙ্গে মিলে দ্রুত ম্যাচ শেষ করতে নেমে পড়েন অভিষেক। মাত্র ২০ বলে ৬৮ রান করেন, ৩৪০ স্ট্রাইক রেটে। গত ম্যাচের পর এই ম্যাচেও হাফসেঞ্চুরি এল অধিনায়কের ব্যাট থেকে। বিশ্বকাপের আগে তাঁর ফর্মে ফেরে স্বস্তি দেবে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের।
