২০২৬-এর পদ্ম পুরস্কারপ্রাপ্তদের নামের তালিকায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা হল অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের নাম। মামুটি, মাধবন, অলকা ইয়াগনিক এবং প্রয়াত অভিনেতা সতীশ শাহ-র পাশে জ্বলজ্বল করছে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের নামও।
প্রসেনজিতের এই সম্মান প্রাপ্তিতে স্বাভাবিকভাবেই খুশি টলিউডে তাঁর সতীর্থরা। একইসঙ্গে খুশি তার বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও। ঠিক কি অনুভূতি তা এদিন সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালকে জানালেন তিনি। "বুম্বা আমার পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমার ঠিক কতটা ভালো লাগছে আমি বলে বোঝাতে পারবো না ওকে আমার অনেক আশীর্বাদ।"
ছবি ফেসবুক
প্রসেনজিতের সবচেয়ে হিট নায়িকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তও এদিন প্রসেনজিতের পদ্ম সম্মান পাওয়ার খবরে যারপরনাই খুশি। তিনি বলেন, "এটা গর্বের বিষয়। এই পুরস্কার অনেক আগেই পাওয়া উচিত ছিল। প্রসেনজিৎ এই পুরস্কারের যোগ্য।"
প্রসেনজিতের ‘ময়ূরাক্ষী’, ‘শেষ পাতা’ এবং ‘রবিবার’-ছবির পরিচালক অতনু ঘোষ বলেন, “খুব ভালো খবর। নিষ্ঠা নিয়ে এত বছর মানুষটা একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে এগিয়েছে। তাঁর নিয়মানুবর্তিতা এবং চেষ্টা সত্যিই শিক্ষণীয়। ঋতুপর্ণ ঘোষের ছবিই হোক বা ‘ক্লার্ক’ অথবা ‘হাউসফুল’-এর মতো ছবি– চিরকালই নিজেকে নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করেছে প্রসেনজিৎ।"
‘দৃষ্টিকোণ’, ‘কিশোর কুমার জুনিয়র’, ‘কাবেরী অন্তর্ধান’, ‘জ্যেষ্ঠপুত্র’-র পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় জানান, “আমি অত্যন্ত খুশি। আত্মপ্রচারের পথে না হেঁটে যে সমানে কাজ করে গিয়েছে তাঁর এই সম্মান প্রাপ্য।" প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এর আগে ঋতুপর্ণ ঘোষ-এর ‘দোসর’-এর জন্য জাতীয় পুরস্কার বিভাগে বিশেষ জুরি পুরস্কার পেয়েছিলেন। বহু ইন্টারভিউতে মূল বিভাগে জাতীয় পুরস্কার না পাওয়ার অভিমান তিনি ব্যক্ত করেছিলেন। একটু দেরি হল কিন্তু জাতীয় স্তরে যে সর্বোচ্চ পুরস্কার তিনি পেলেন, তা বোধহয় তাঁকেই মানায়।
