Advertisement

অভিনব ব্যাংক প্রতারণা, রাতারাতি উধাও ফিক্সড ডিপোজিটের লক্ষাধিক টাকা, জানেনই না গ্রাহক

04:53 PM Sep 01, 2021 |
Advertisement
Advertisement

অভিষেক চৌধুরী, কালনা: ব্যাংকে এক গ্রাহকের গচ্ছিত রাখা ফিক্সড ডিপোজিটের (Fixed Deposite) কয়েক লক্ষ টাকা উধাও। কীভাবে ঘটল এমন ঘটনা? এনিয়ে ইতিমধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কালনায়।

Advertisement

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

কালনা (Kalna) শহরের মধুবন আমলাপুকুরের বাসিন্দা প্রৌঢ় ধীরেন্দ্রনাথ দাস নামে অবসরপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তি ও তাঁর পরিবারের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। দিব্যাঙ্গ মেয়ের জন্য রেখে দেওয়া ওই টাকা ফিরে পেতে শেষপর্যন্ত কালনা থানার পুলিশ ও ব্যাংক কর্তৃক্ষের নিকট তিনি দ্বারস্থ হন বলে জানান। পুলিশ এই বিষয়ে আশ্বাস দিলেও ব্যাংক কর্তৃক্ষের কাছ থেকে কোনও সহযোগিতাই পাচ্ছেন না বলে তিনি অভিযোগ তোলেন।

[আরও পড়ুন: Narada Case: ফিরহাদ-সুব্রত-মদন-শোভন-সহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করল ED]

কালনা শহরের ধীরেন্দ্রনাথ দাস নামের ওই ব্যক্তি একসময় সেচদপ্তরে চাকরি করতেন। তিন বছর আগে তিনি অবসরও নেন। তিনি জানান, দুই মেয়ের মধ্যে এক মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলেও দিব্যাঙ্গ ছোট মেয়ের জন্য কালনা শহরের রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাংকে দু’লক্ষ টাকা গচ্ছিত রাখতে ২০১৮ সালে তিনি ফিক্সড ডিপোজিট করেন। পরিবারের বিশেষ প্রয়োজনে সেই টাকা তুলতে গেলে তাঁর ওই টাকা একবছর আগেই তুলে নেওয়া হয়েছে বলে ওই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন বলে জানান তিনি। এই ঘটনায় বিপাকে পড়েছেন ওই প্রৌঢ়।

ধীরেন্দ্রনাথবাবু বলেন, “বয়স বাড়ছে। ছোট মেয়ে দিব্যাঙ্গ। তাই ওর কথা ভেবে দুই লক্ষ টাকা ওই ব্যাংকে রাখি। ২০২৩ সালে ম্যাচুরিটি হওয়ার কথা থাকলেও বিশেষ প্রয়োজনে টাকা তুলতে গেলে আমাকে ব্যাংক জানায় যে ওই টাকা কেউ বা কারা ২০২০ সালের ২৮ শে অক্টোবর তুলে নিয়েছে। এতবড় জালিয়াতির ঘটনার পর ব্যাংককে জানালেও সহযোগিতা করেনি। কালনা থানায় জানিয়েছি।” যদিও বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিষয় বলে ব্যাংক জানিয়ে দেয়।

[আরও পড়ুন: শিল্পে এক নম্বর হওয়াই লক্ষ্য, রাজ্যে বিপুল বিনিয়োগের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর]

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে কালনার শহরের কাঁসারীপাড়ার মিতালি বসু রায় নামে আরও এক বাসিন্দার এমনই এক ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। ২০১৯ সালে তিনিও এক লক্ষ টাকা ফিক্সড ডিপোজিট করেন। মেয়াদ উত্তীর্ণ ওই টাকা তুলতে গেলে তাঁর টাকাও তুলে নেওয়া হয়েছে বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাঁকে জানিয়ে দেয় বলে তিনিও অভিযোগ করেন। এদিকে, শহরে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে একের পর এক টাকা উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন অন্যান্য গ্রাহকরা। কালনার এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য বলেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে দেখা হবে।”

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Advertisement
Next