সাধারণতন্ত্র দিবসে বিজেপির উদ্যোগে ভারতমাতার পুজো। আর সেই পুজোমণ্ডপে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল খড়দহে পাতুলিয়া পঞ্চায়েতের বটতলা এলাকা। সোমবার তার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি রহড়া থানায় গিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ দায়ের করলেন বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচী। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, ''ভারতমাতা আমাদের আরাধ্যা দেবী। আমরা তার পুজো করছি সমস্ত জায়গায়। সেই ভরসার জায়গায় কেউ যদি আঘাত করতে চাইলে, আমরা চুপ করে বসে থাকবে না।'' এনিয়ে তৃণমূলের পালটা কটাক্ষ, উসকানি দিতেই পরিকল্পিতভাবে এসব ঘটনা নিজেরাই ঘটিয়েছে বিজেপি।
সোমবার পাতুলিয়ার বটতলা এলাকায় ভারতমাতার পুজোর আয়োজন করেছিল গেরুয়া শিবির। মণ্ডপও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সকালে দেখা যায়, আগুনে ওই মণ্ডপের কিছুটা অংশ পুড়ে গিয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, ভারতমাতার পুজো পণ্ড করতে ষড়যন্ত্র হয়েছে। এনিয়ে সোমবার সকাল থেকেই পতাকা হাতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। তৈরি হয় যানজট। পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা।
আগুনে পোড়া মণ্ডপের একাংশ। নিজস্ব ছবি
সেখানে পৌঁছন বারাকপুরের তরুণ বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচী। তিনি বলেন, "এটা কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না। ভারতমাতা আমাদের আরাধ্যা দেবী। আমরা তার পুজো করছি সমস্ত জায়গায়। সেখানে কেউ যদি আঘাত করতে চাইলে, আমরা চুপ করে বসে থাকবে না। পুলিশ প্রশাসন যদি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে আমরা পথে নেমে আবারও প্রতিবাদ জানাব।" পুলিশ বিজেপির অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলে অবরোধ ওঠে। তবে এর জেরে দীর্ঘক্ষণ ভোগান্তির শিকার হন পথচলতি মানুষজন।
কৌস্তভ বাগচী বলেন, "এটা কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না। ভারতমাতা আমাদের আরাধ্যা দেবী। আমরা তার পুজো করছি সমস্ত জায়গায়। সেখানে কেউ যদি আঘাত করতে চাইলে, আমরা চুপ করে বসে থাকবে না। পুলিশ প্রশাসন যদি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে আমরা পথে নেমে আবারও প্রতিবাদ জানাব।"
বিক্ষোভে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে শামিল কৌস্তভ বাগচী। নিজস্ব ছবি
যদিও ভারতমাতার পুজোমণ্ডপে অগ্নিকাণ্ড নিয়ে বিজেপির ষড়যন্ত্রের অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ শাসক শিবির। স্থানীয় পাতুলিয়া পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা তৃণমূল নেতা কিশোর বৈশ্যের দাবি, "ঘটনাটি ওদের নিজেদেরই পরিকল্পিত। উসকানি দিতে প্রচারের আলোয় আসতে এসব করছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখলেই সবটা স্পষ্ট হয়ে যাবে।" অভিযোগের ভিত্তিতে অগ্নিকাণ্ডের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে রহড়া থানার পুলিশ।
