রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: উচ্চ আদালতের অনুমতি যদি মেলেও, তাহলেও কি ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সমাবেশের আগে রথযাত্রা শুরু করা সম্ভব? এটাই এখন আলোচনার বিষয় বঙ্গ বিজেপিতে। ঠিক হয়েছিল দলের রথযাত্রা কর্মসূচির সমাপ্তি হবে প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে। আইনি জটিলতায় রথযাত্রা থমকে যাওয়ায় মোদির ব্রিগেড সমাবেশের আগে কি বাংলায় দলের রথের চাকা ঘোরানো সম্ভব কিনা, সেটা নিয়েই এখন প্রধান আলোচ্য বিষয় মুরলীধর সেন লেনে।
আইনি জটিলতায় আটকে এ রাজ্যে বিজেপির রথযাত্রা বা গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা কর্মসূচি। হাই কোর্ট থেকে মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। ২ জানুয়ারি আদালত খুলবে। রথযাত্রা মামলায় শীর্ষ আদালতের রায়ের দিকে এখনই তাকিয়ে গেরুয়াশিবিরের রাজ্য নেতারা। দলীয় সূত্রে খবর, দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহও চান, বাংলায় রথযাত্রা হোক। সংক্ষিপ্ত হলেও এ রাজ্যে গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা করতে চাইছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও। কারণ, রথযাত্রা না হলে বাংলায় দলের কর্মী-সমর্থকদের মনোবলও কিছুটা হলে ধাক্কা খাবে। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। আবার ২৯ জানুয়ারি ব্রিগেডে সভা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দফতরও ইতিমধ্যে সময় দিয়েছে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট যদি অনুমতি দেয়ও, সেক্ষেত্রে কি ২৯ জানুয়ারির আগে কর্মসূচি শেষ করা যাবে? ধন্দ বিজেপি অন্দরেই।
[আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে স্কুলপাঠ্যে মুখ্যমন্ত্রীর কবিতা]
১১ ও ১২ জানুয়ারি দিল্লিতে বিজেপির বর্ধিত জাতীয় পরিষদের বৈঠক। তারপর ১৯ জানুয়ারি আবার শাসকদলের ব্রিগেড সমাবেশ। ২৩ জানুয়ারি নেতাজির জন্মদিন আর ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস। ফেব্রুয়ারির শুরুতে ব্রিগেডে সমাবেশ করবে বামেরা, তারপর আবার সরস্বতী পুজো। সরস্বতী পুজো শেষ হতে না হতেই শুরু হয়ে যাবে মাধ্যমিক পরীক্ষা। রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুর কথায়, “সুপ্রিম কোর্টের উপর আমাদের আস্থা আছে। রথযাত্রার অনুমতি মিলবে। ১৬ জানুয়ারি থেকে আমরা যাত্রা শুরু করে দেব। প্রয়োজন হলে প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশের পরও রথযাত্রা চলবে।” তবে সবকিছুই নির্ভর করছে সুপ্রিম কোর্টের উপরই।
The post ব্রিগেডের আগে কি এ রাজ্যে রথযাত্রা করা সম্ভব? সংশয় পদ্মশিবিরে appeared first on Sangbad Pratidin.
