মাছ ধরতে গিয়ে মাঝ সমুদ্রে তলিয়ে যায় ট্রলার। নিখোঁজ হন ১৫ মৎস্যজীবী। তাদের বেশ কয়েকজনের দেহ উদ্ধার হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ৯ জন মৎস্যজীবী। মৃত মৎস্যজীবীদের পরিবারের হাতে সরকারি নিয়োগপত্র তুলে দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার রাতে দিঘায় থানার পাশে থাকা সভাগৃহে মৃত মৎস্যজীবীদের পরিবারের একজন সদস্যকে হোমগার্ডের নিয়োগপত্র তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।
জুলাই মাসে মাঝ সমুদ্রে ১৫ জন মৎস্যজীবী নিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় ‘মা কালী’ নামের ট্রলার। ট্রলারটির মালিক রামনগর থানার দেউলিবাংলা এলাকার বাসিন্দা অভিজিৎ বেরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসের শুরুতেই গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায় ওই ট্রলারটি। নির্দিষ্ট সময়ে ট্রলারটির ফেরার কথা থাকলেও সেটি বন্দরে ফেরত আসেনি। ট্রলারে থাকা ১৫ জন মৎস্যজীবী কারোর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। এরপরই বিষয়টি শংকরপুর ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনকে জানানো হয়। বিষয়টি জানানো হয় প্রশাসনিক আধিকারিকদেরও। তারপরই খোঁজ শুরু হয়। পরে খোঁজ মেলে ট্রলারটির। উদ্ধার হয় ৯ জনের দেহ। তাঁরা সকলে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বাসিন্দা।
এরপরই মৃতের পরিবারগুলিকে আর্থিকসাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করে রাজ্য সরকার। মৃত মৎস্যজীবীর পরিবারের হাতে আগেই আর্থিক সাহায্য তুলে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার শনিবার রাতে তাঁদের পরিবারের এক সদস্যদের হোমগার্ডের চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হল। পরিজন হারানোর দুঃখের মধ্যেও ধন্যবাদ জানান মৃত মৎস্যজীবীদের পরিবার
