শালবাড়ির পর এবার প্রধাননগর থানা এলাকার মিলনমোড়। প্যারা মেডিক্যাল প্রশিক্ষণের নামে প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য শিলিগুড়িতে। গ্রেপ্তার সংস্থার সাতজন। শুক্রবার রাতে ওই ঘটনা ঘটেছে। কয়েকদিন আগে শালবাড়িতে একটি প্যারামেডিক্যাল সেন্টারকে রাতারাতি ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারে রূপান্তরিত করা হয়। ওই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেই ঘটনার রেশ না কাটতেই শুক্রবার রাতে মিলনমোড় এলাকায় প্যারামেডিক্যাল প্রশিক্ষণের নামে পড়ুয়াদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ ওঠে।
প্রধাননগর থানায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন পড়ুয়ারা। পরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা। পুলিশ সংস্থার সাতজনকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের মধ্যে দুই মহিলাও রয়েছে। পুলিশ জানায়, ধৃতদের নাম সঞ্জয় শর্মা, কৌশিক গুহ, শুভ্রজিৎ শর্মা, নবীন বণিক, অভিজিৎ সূত্রধর এবং দুই মহিলা রাধা খাতি এবং রোশনি ছেত্রী। সঞ্জয় শর্মা, কৌশিক গুহ এবং শুভ্রজিৎ শর্মা ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর। পড়ুয়াদের অভিযোগ, প্রথমে তাদের বলা হয়েছিল সেখানে প্যারামেডিক্যাল কোর্স করানো হচ্ছে। সেজন্য তাদের কাছ থেকে দেড় লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়।
অভিযোগ, প্যারা মেডিক্যাল কোর্সের পরিবর্তে ভোকেশনাল ট্রেনিং দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণের পর তাদের প্লেসমেন্ট দেওয়ার কথা ছিল। সেটাও হয়নি। ইনস্টিটিউটের তরফে যে সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে সেটাও স্বীকৃত নয়! পড়ুয়াদের দাবি, শালবাড়ির প্যারামেডিক্যাল ইনস্টিটিউট এবং মিলনমোড় প্যারামেডিক্যাল ইনস্টিটিউট একই ছিল। পরে শালবাড়ি এবং মিলানমোড়ে দুটি ভিন্ন নামে চালু করা হয়। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পড়ুয়ারা। পুলিশ ধৃতদের জেরা করে তথ্য পেতে চাইছে। ধৃতদের এদিন আদালতে তোলা হয়।
