মধ্যপ্রাচ্যে পুরোদমে চলছে যুদ্ধ। হামলা, পালটা হামলায় জতুগৃহ ইরান-ইজরায়েল। শনিবার গভীর রাতে আমরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় নিজের কার্যালয়ে নিকেশ হয়েছেন সে দেশের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। তাঁর মৃত্যুর প্রতিবাদে এককাট্টা গোটা ইসলামিক দুনিয়া। বিভিন্ন দেশে খামেনেইয়ের স্মরণে মিছিল, সভা। রাতের অন্ধকারে ইজরায়েল ও আমেরিকার অতর্কিত যৌথ হামলায় খামেনেইয়ে মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না অনেকে। সদ্য প্রয়াত ইরানের সুপ্রিম লিডারকে ভূয়সী প্রশংসায় ভরিয়ে শোকপ্রকাশ করলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। খামেনেইকে 'সাহসিকতার ধ্রুবতারা', 'সাহস ও প্রতিরোধের প্রতীক' বলে বাছাই করা শব্দবন্ধে ফেসবুক পোস্ট করলেন তিনি।
হুমায়ুন কবীরের পোস্টে লেখা - ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন"/এক আপোষহীন সংগ্রামের অবসান— বিদায় হে সাহসিকতার ধ্রুবতারা। ইসলামী বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা এবং সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রামের জীবন্ত কিংবদন্তি "আয়াতুল্লাহ খামেনীর" প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। ৮৬ বছরের এক বর্ণাঢ্য জীবনে তিনি ছিলেন সত্য ও ন্যায়ের পথে এক হার না মানা যোদ্ধা। বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে তিনি কেবল একজন ধর্মীয় নেতা ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন সাহস ও প্রতিরোধের প্রতীক। শত বাধা আর প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি যেভাবে নিজের আদর্শে অবিচল ছিলেন, তা বিশ্বজুড়ে অধিকারকামী মানুষের কাছে চিরকাল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তাঁর প্রয়াণে মুসলিম উম্মাহ এক সুযোগ্য অভিভাবককে হারাল।মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। শোকসন্তপ্ত ইরান রাষ্ট্র ও তাঁর কোটি কোটি অনুগামীদের প্রতি জানাই আমার গভীর সমবেদনা।''
ইরান-ইজরায়েলের মধ্যে দ্বন্দ্ব দীর্ঘকালের। তা তুঙ্গে ওঠে শনিবার। ওইদিন একেবারে ভরপুর সমরসজ্জায় সজ্জিত হয়ে ইরানের মাটিতে মারণ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। যৌথ হামলায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা খামেনেই-সহ শীর্ষ আধিকারিকদের। পাশাপাশি শতাধিক সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে এই হামলায়। রবিবার ভয়ংকর সেই হামলার প্রথম ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্য করে মার্কিন সেনা। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি 'সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল'। এভাবে হামলা চালিয়ে একটি দেশের শীর্ষ ধর্মীয় নেতাকে হত্যার তীব্র নিন্দা ইসলামিক দুনিয়ার। তাঁদেরই স্বর প্রতিফলিত হল হুমায়ুনের ফেসবুক পোস্টে। খামেনেইয়ের প্রশংসা এবং মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করলেন তিনি।
