shono
Advertisement
Egg hurling

অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে অশান্তি, নিজের দপ্তরেই 'ডিম হামলা'র শিকার জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান!

সাদা জামায় ডিম মাখামাখি অবস্থায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কী অভিযোগ তুললেন তিনি?
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 08:00 PM Jul 30, 2026Updated: 08:00 PM Jul 30, 2026

সকালেই তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছিল আর দুপুরের 'ডিম-হামলা'র শিকার হলেন জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়! নিজের চেম্বারেই তাঁকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল একের পর এক ডিম। ঘটনাকে 'পরিকল্পিত চক্রান্ত' বলে মন্তব্য করেছেন চেয়ারম্যান। আর বিরোধীদের দাবি, এটাই হওয়ার ছিল। দীর্ঘদিন ধরে পুর পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এটা জনরোষের বহিপ্রকাশ।

Advertisement

২৫ আসনের জলপাইগুড়ি পুরসভায় তৃণমূলের আসন সংখ্যা ২২। বিরোধী কংগ্রেস ও সিপিএমের দখলে রয়েছে ৩টি আসন। বিধানসভা নির্বাচনে ধরাশায়ী হওয়ার পর আড়াআড়ি দু'ভাগে বিভক্ত হয়ে যায় তৃণমূল কংগ্রেস। কলকাতায় গিয়ে ঋতব্রতপন্থী শিবিরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোয় কালীঘাট তৃণমূলের বিরাগভাজন হন চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার মহকুমা শাসকের কাছে জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন কালীঘাটপন্থী নয় কাউন্সিলর। এদের মধ্যে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সন্দীপ মাহাতোও রয়েছেন। এদিকে, এদিনই বোর্ড মিটিং ডেকে ছিলেন চেয়ারম্যান। অনাস্থা তালিকায় নাম লেখানো কাউন্সিলররা কেউ না এলেও উপস্থিত হন চেয়ারম্যান ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর। বৈঠক শুরুর আগেই আচমকা ঘটে যায় 'ডিম হামলা'র ঘটনা।

পরিষেবা নিয়ে আলোচনা করতে চেয়ে পুরসভার চেয়ারম্যানের চেম্বারে ঢুকে যান কয়েকজন। তাঁরা চেয়ারম্যানকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন বলে অভিযোগ। এঁরা সকলে শহরের ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডের নাগরিক। সেই সময় চেয়ারম্যানের চেম্বারে উপস্থিত ছিলেন যুব কংগ্রেস সভাপতি নব্যেন্দু মৌলিক। ডিম ছোড়ার ঘটনার পিছনে নব্যেন্দুর চক্রান্ত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন চেয়ারম্যান। নব্যেন্দু মৌলিকের পালটা দাবি, এলাকার মানুষ জল পরিষেবা পাচ্ছেন না। বাসিন্দাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এসে ছিলেন। কে ডিম ছুড়েছে, তা তাঁর জানার কথাও নয়। মানুষ পরিষেবা না পেয়ে ক্ষুব্ধ, এটাই আসল ঘটনা।

চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘এভাবে ডিম ছুড়ে মারা জলপাইগুড়ির কালচার নয়। আজ মিটিং ছিল। এরই মধ্যে একজন ঘরের ভিতর থেকে ইশারা করলেন, তারপর এই ঘটনা। এই অশান্তির জন্য মিটিং বাতিল করেছি। শুনেছি, ন'জন কাউন্সিলর আমার ইস্তফা চেয়ে মহকুমা শাসকের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। আমি এর আগে তাঁদের শোকজ করেছিলাম। ওঁদের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে বিল্ডিং নির্মাণের অভিযোগ পেয়েছিলাম। তাই হয়তো ওঁরা এসব করেছেন। এর বেশি আমার আর জানা নেই।''

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement