shono
Advertisement
Siliguri

'জাস্টিস ফর সিস্টার' লিখে মহানন্দায় ঝাঁপ দিল দাদা! চাঞ্চল্য শিলিগুড়িতে

স্কুটি নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে সোজা চলে গিয়েছিলেন মহানন্দার পাড়ে। সুইসাইড নোট লিখে সোজা ঝাঁপ দিলেন ক্যানেলে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করল চাঞ্চল্যকর সুইসাইড নোট। সেখানে লেখা 'জাস্টিস ফর সিস্টার'। কী কারণে ওই তিন শব্দ তিনি লিখলেন?
Published By: Suhrid DasPosted: 06:35 PM Feb 15, 2026Updated: 06:35 PM Feb 15, 2026

স্কুটি নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে সোজা চলে গিয়েছিলেন মহানন্দার পাড়ে। সুইসাইড নোট লিখে সোজা ঝাঁপ দিলেন ক্যানেলে! পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করল চাঞ্চল্যকর সুইসাইড নোট। সেখানে লেখা 'জাস্টিস ফর সিস্টার'। কী কারণে ওই তিন শব্দ তিনি লিখলেন? তাঁর বোনের সঙ্গে কী হয়েছে? কী কারণে তিনি জাস্টিস চাইলেন? সেসব প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ওই ব্যক্তির নাম মনোজ ডালমিয়া।

Advertisement

জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ির ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের মিলনপল্লির বাসিন্দা মনোজ। আজ, রবিবার সকালে বাড়ি থেকে স্কুটি চালিয়ে সোজা ফাঁসিদেওয়া এলাকায় পৌঁছে যান। ক্যানেলের পাশেই স্কুটি রাখেন তিনি। সঙ্গের মোবাইল, দোকানের ছবি সব কিছুই রেখে দেওয়া হয়। সেখানেই সুইসাইড নোট লিখেছিলেন তিনি। এরপরই ঝাঁপ দেন ক্যানেলে। ওই ঘটনা দেখেই ছুটে যান স্থানীয়রা। ততক্ষণে ক্যানেলের জলে তিনি অনেক দূর ভেসে গিয়েছে।

শিলিগুড়ির ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের মিলনপল্লির বাসিন্দা মনোজ। আজ, রবিবার সকালে বাড়ি থেকে স্কুটি চালিয়ে সোজা ফাঁসিদেওয়া এলাকায় পৌঁছে যান। ক্যানেলের পাশেই স্কুটি রাখেন তিনি। সঙ্গের মোবাইল, দোকানের ছবি সব কিছুই রেখে দেওয়া হয়।

এরপরই খবর দেওয়া হয় ফাঁসিদেওয়া থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মোবাইল ফোন, স্কুটি উদ্ধার করে। সুইসাইড নোট দেখে চাঞ্চল্য সাধারণের মধ্যে। কারণ সুইসাইড নোটে লেখা হয়েছে 'জাস্টিস ফর সিস্টার'। কিসের জাস্টিস তিনি চেয়েছেন? কেন বোনের বিচার চেয়ে মহানন্দায় ঝাঁপ দিলেন মনোজ? কোনও বড় ষড়যন্ত্রের শিকার তাঁর বোন? একাধিক সেই প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ সেসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে। ওই ব্যক্তির পরিবারকে ঘটনার কথা জানানো হয়েছে।

স্কুটির সামনে ভিড় স্থানীয়দের। নিজস্ব চিত্র

মহানন্দার জলে মনোজকে খুঁজতে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর টিম নামে। স্পিড বোট নিয়ে চলে তল্লাশি। নকশালবাড়ি এসডিপিও সৌমজিৎ রায় বলেন, "সুইসাইড নোটে বোণের বিচারের কথা লেখা রয়েছে৷ তাঁর খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে।" এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সিক্তা দে বসু রায়। তিনি বলেন, "আমি চিনতাম খুব ভালো মানুষ ছিলেন। কেন এমন ঘটনা ঘটাল বুঝতে পারছি না। তাঁর দুই বোন রয়েছে। দু'জনেরই বিয়ে হয়ে গিয়েছে। তাঁর নিজের এক মেয়ে এক ছেলে। মেয়ে মাধ্যমিক দেবে। স্ত্রী কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। তবে কেন বোনেদের বিচার চাইলেন, আমরাও বুঝতে পারছি না। তবে পুলিশ তদন্ত করছে। আমরা সবরকম সহযোগিতা করব।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement