shono
Advertisement
Murshidabad

স্ত্রী ও ২ কন্যাকে 'খুন' করে কম্বল চাপা! দুর্গন্ধ বেরতে 'আত্মঘাতী' স্বামী, ভগবানগোলায় হাড়হিম ঘটনা

ঘরের মধ্যে স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তানকে 'খুন' করে কম্বল চাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল! কর্তাকে গতকাল, মঙ্গলবারও এলাকায় দেখা গিয়েছিল। এদিন, বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হল ওই পরিবারের চার সদস্যের মৃতদেহ!
Published By: Suhrid DasPosted: 03:32 PM Jan 28, 2026Updated: 05:31 PM Jan 28, 2026

ঘরের মধ্যে স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তানকে 'খুন' করে কম্বল চাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল! কর্তাকে গতকাল, মঙ্গলবারও এলাকায় দেখা যায়। এদিন, বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হল ওই পরিবারের চার সদস্যের মৃতদেহ! বন্ধ ঘর থেকে দুর্গন্ধ বার হতে দেখেই সন্দেহ হয়েছিল স্থানীয়দের। খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিশ ঘরের দরজা ভেঙে উদ্ধার করে ওই চারটি মৃতদেহ। হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলায়। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে 'খুন' করে শেষে ওই ব্যক্তি 'আত্মঘাতী' হয়েছেন! প্রাথমিকভাবে এমনই অনুমান করছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

নদিয়া জেলার স্থায়ী বাসিন্দা মানিক ব্যাপারী। গত ১০ মাস আগে ভগবানগোলার স্বপনগড় মোড় এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া করে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে থাকতে শুরু করেছিলেন তিনি। স্ত্রীর নাম দোলা ব্যাপারী। তাঁদের দুই কন্যা বছর ১৫ বয়সের তানহা ব্যাপারী ও ছয় বছরের মায়েশা। স্বপনগড় এলাকাতেই মানিকের ফলের দোকান ছিল বলে খবর। আজ, বুধবার সকালে ওই ঘর থেকে দুর্গন্ধ পান স্থানীয়রা। ডাকাডাকি করেও কারও সাড়া মেলেনি। সন্দেহ হওয়ায় খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকতেই দেখা যায় হাড়হিম ঘটনা।

ঘরের মেঝেয় চাপ চাপ রক্ত শুকিয়ে গিয়েছে! কম্বল চাপা দেওয়া অবস্থায় রয়েছে স্ত্রী ও দুই কন্যার মৃতদেহ! দেহগুলি একে অপরের উপর কার্যত চাপানো ছিল। তিনজনেরই গলা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাটা হয়েছে বলে খবর। ওই ঘরেই সিলিং থেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলতে দেখা যায় মানিককে। ঘটনা জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। ওই এলাকায় ভিড় করে স্থানীয়রা। পুলিশের বিশাল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কার্যত গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা যায়। একে একে চারটি মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

কিন্তু কী কারণে এই হাড়হিম করা ঘটনা? প্রাথমিক অনুমান, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে গলা কেটে প্রথমে 'খুন' করেছিলেন স্বামী! সম্ভবত, দিন দুয়েক আগেই ওই খুনগুলি করা হয়েছিল। ঘরের মেঝেতেই দেহগুলি একসঙ্গে করে কম্বল চাপা দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, এলাকায় মানিককে দেখাও গিয়েছিল। এদিকে মৃতদেহগুলি ঘরের মধ্যেই পড়ে থাকার কারণে পচন শুরু হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। সেই কারণেই শেষপর্যন্ত 'আত্মঘাতী' হন মানিক। কিন্তু কী কারণে খুন? প্রাথমিকভাবে অনুমান, স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে, সেই সন্দেহ করেছিলেন মানিক! তার থেকেই এই ঘটনা। পুলিশ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। আশপাশের বাসিন্দাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement