২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম আছে। তিনি জীবিত। অথচ ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকায় নাম নেই তৃণমূল নেতার! তিনি শাসকদলের অঞ্চল চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছেন। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয় ওই এলাকার আরও তৃণমূল নেতার নাম বেছে বেছে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
চূড়ান্ত তালিকায় নাম 'ডিলিট' তৃণমূল নেতা তপন দেবনাথের।
নাম বাদ যাওয়া তৃণমূল নেতার নাম তপন দেবনাথ। তিনি কুমারগ্রাম বিধানসভার ডাঙ্গি এলাকার ২২৩ নম্বর বুথের ভোটার। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম আছে। তবুও তালিকা বেরতেই দেখা গিয়েছে তাঁর নাম বাদ গিয়েছে। শাসকদলের অঞ্চল চেয়ারম্যানের নাম নেই বাদ পড়েছে এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আলিপুরদুয়ার দু'নম্বর ব্লকের কোহিনুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙ্গি এলাকায়।
কুমারগ্রাম বিধানসভার ২০০২ সালের তালিকা।
বিএলও-র বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন শাসকদলের নেতা। তাঁর অভিযোগ তিনি তৃণমূল করেন তাই বিএলও ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর নথিপত্র জমা দেননি। তপনবাবু বলেন, "এসআইআর ফর্মে সমস্ত তথ্য লিখেছিলাম। ২০০২ সালের তালিকায় নাম আছে।স্বাভাবিকভাবেই সেই তথ্য উল্লেখ করেছিলাম। গতকাল আমি যখন তালিকায় দেখি আমার নাম বাদ গিয়েছে। বিএলওর সঙ্গে বিরোধী দলের লোকরা সারাদিন ঘোরাঘুরি করতেন। আমার অনুমান, আমার কাগজ গায়েব হয়ে গিয়েছে। বিএলওর গাফিলতি রয়েছে। এছাড়াও এমন ২৮ জন আছে, যাঁদের কাছে সমস্ত ডকুমেন্ট আছে তারপরও তাঁদের নাম বাদ গিয়েছে। নেতৃত্বের সঙ্গে কথা হয়েছে।" তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে বলতে চায়নি বিএলও। তিনি বলেন, "আমি কিছু জানি না।"
