shono
Advertisement
Jalpaiguri

সদ্যোজাতের কাটা মাথা মুখে হাসপাতালে ঘুরছে পথকুকুর, রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে হাড়হিম ঘটনা!

সারমেয়র মুখে সদ্যোজাতের মাথা! শনিবার বিকেলে এমন ভয়াবহ দৃশ্য দেখা গেল জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। ওই ঘটনা দেখে শিউড়ে উঠেছেন রোগীর আত্মীয়স্বজন ও অন্যান্যরা। পরে ওই শিশুর মাথাটি উদ্ধার করা হয়েছে।
Published By: Suhrid DasPosted: 08:41 PM Jan 24, 2026Updated: 08:41 PM Jan 24, 2026

সারমেয়র মুখে সদ্যোজাতের মাথা! শনিবার বিকেলে এমন ভয়াবহ দৃশ্য দেখা গেল জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। ওই ঘটনা দেখে শিউড়ে উঠেছেন রোগীর আত্মীয়স্বজন ও অন্যান্যরা। পরে ওই শিশুর মাথাটি উদ্ধার করা হয়েছে। সদ্যোজাতের মাথাটি কোথা থেকে এল? কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল ওই শিশুটির? সেই প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

Advertisement

একটি পথকুকুর জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাবের সামনে এক সদ্যোজাতের মাথা মুখে নিয়ে যাচ্ছিল! ওই ঘটনা দেখে শিউরে উঠলেন উপস্থিত রোগীর আত্মীয়রা। তাঁরাই কুকুরটিকে তাড়া করে ওই মাথাটি উদ্ধার করেন। পরে পুলিশ গিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য সেটি নিয়ে যায়। ঘটনার আলাদা আলাদা করে তদন্ত শুরু করেছে কোতোয়ালি থানার পুলিশ ও মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

পুলিশ ও হাসপাতালের একাংশের তরফে জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে দেখা যায় সদর হাসপাতালের মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাবের বাইরে সদ্যোজাতের মাথা নিয়ে ঘুরছে পথকুকুর। রোগীর আত্মীয়-পরিজনেদের দাবি, হাসপাতালের ভেতর থেকে পথ কুকুরকে সদ্যোজাতের মাথা মুখে নিয়ে বের হতে দেখেছেন তাঁরা! হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর আত্মীয় তরিকুল হক বলেন, "টিকিট না থাকায় নিরাপত্তা রক্ষী আমাকে ভেতরে ঢুকতে দেয়নি৷ বাইরে দাঁড়িয়ে থাকার সময়ই এক মহিলা কুকুরের মুখে বাচ্চার মাথা দেখে চিৎকার করে ওঠেন৷ আমরা কুকুরটির পিছু নিই। মনে হচ্ছে লেবার ওয়ার্ডের পেছন থেকেই মাথাটি কুকুর নিয়ে এসেছে।" আরেক রোগীর পরিজন মৃণাল রায় বলেন, "আমরা কুকুরটির পিছনে ছুটে গেলে মাথা ফেলে পালায় কুকুরটি। সদ্যোজাতের দেহ কোথায়, তা জানতে চেয়েছি। শুধু মাথাটিই বা কোথা থেকে এল তা জানতে পারিনি।"

ঘটনায় জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের সুপার তথা ভাইস প্রিন্সিপাল ডাঃ কল্যাণ খাঁ র দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে হাসপাতালের কোনও যোগ নেই। বাইরে থেকে কুকুর সদ্যোজাতের মাথা নিয়ে আসতে পারে। পুলিশি তদন্তের পাশাপাশি মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষও আলাদা করে তদন্ত শুরু করছে বলে জানান তিনি। জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবংশী জানান, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাবের ভেতর ও বাইরের সিসিটিভির ছবি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কতগুলো বাচ্চা জন্ম নিয়েছিল, তার রেকর্ডও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement