মন্দিরের সম্পত্তিও বিধায়কের নজরে! জমি দখলের অভিযোগে তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি তথা মালতিপুরের তৃণমূস বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সীকে রতুয়া থানায় তলব করা হয়। তিন ঘণ্টা তাঁকে ম্যারাথন জেরা করে পুলিশ। রতুয়া থানার রুকুন্দিপুরের বাসিন্দা শকুন্তলা ঘোষ রতুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এদিন বিধায়ককে জেরা করা হয়।
অভিযোগ করেন, রতুয়া বিডিও অফিসের সামনে তাদের একটি ৮০ শতক দেবোত্তর সম্পত্তি রয়েছে। তার মধ্যে ৬০ শতক জমি দখল করা হয়েছে। আব্দুর রহিম বক্সী সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি।
বিধায়কের বিরুদ্ধে ওই বাসিন্দা অভিযোগ করেন, রতুয়া বিডিও অফিসের সামনে তাদের একটি ৮০ শতক দেবোত্তর সম্পত্তি রয়েছে। তার মধ্যে ৬০ শতক জমি দখল করা হয়েছে। আব্দুর রহিম বক্সী সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি। শকুন্তলা ঘোষের ছেলে বলেন, "রতুয়ার রুকুন্দীপুরে তাদের একটি মন্দির রয়েছে, রতুয়া বিডিও অফিসের কাছে সেই মন্দিরের একটি দেবোত্তর সম্পত্তি রয়েছে। ২০১৫ সালে তাদের এই জমিটি দখল হয়ে যায়। তৃণমূল জমানায় বারবার অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি। রহিম বক্সী তৃণমূলের বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন। সেই কারণে পুলিশও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। তাদেরকে মাঝেমধ্যেই হুমকি দেওয়া হত। রাজ্যে পালাবদলের পরেই ফের থানায় অভিযোগ জানানো হয়। এরপরই অ্যাকশন শুরু করে রতুয়া থানার পুলিশ।
শুক্রবার পুলিশের তলবে রতুয়া থানায় হাজিরা দেন মালতিপুরের তৃণমূল বিধায়ক। যদিও আব্দুর রহিম বক্সী তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করলেও, এদিন মাথা ঝুঁকিয়ে পুলিশের জেরার মুখোমুখি হতেই হয় তাঁকে।
