পরিবেশের বুকে চিরে রিসর্টের বাড়বাড়ন্ত। এ ছবি নতুন নয়। টুরিস্ট স্পষ্টগুলিতে এমন অভিযোগও বিস্তর। এবার ডুয়ার্সে কুর্তি নদীর চর দখল করে গজিয়ে ওঠা বেআইনি রিসর্টে চলল বুলডোজার। ১০ জুলাইয়ের মধ্যে রিসর্ট খালি করতে নোটিস দিয়েছিল প্রশাসন। ১ মাস পর সেই অবৈধ রিসর্টে অ্যাকশনে নামল মাটিয়ালি ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর।
প্রশাসনের দাবি, রিসোর্টটি নদীর চর এবং নদীর মূল প্রবাহের খুব কাছাকাছি এলাকায় নির্মাণ করা হয় রিসর্টটি। এক সময় ওই জায়গায় কুর্তি নদী প্রবাহিত হত। নির্ধারিত সময়ে নির্দেশ না মানায় শুক্রবার বিকেল থেকে উচ্ছেদ অভিযানে নামে বুলডোজার।
জানা যায়, মেটেলি ব্লকের মাটিয়ালি–বাতাবাড়ি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের গোয়ালডাঙ্গা এলাকায় কুর্তি নদীর ধারে ওই রিসোর্টটি তৈরি করা হয়েছিল। এর আগে মাটিয়ালি ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর এবং মেটেলি থানার পুলিশ তরফে রিসর্টে সরকারি নোটিস দেওয়া হয়। পাশাপাশি মহকুমা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও রিসোর্ট কর্তৃপক্ষকে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে রিসর্ট খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রশাসনের দাবি, রিসোর্টটি নদীর চর এবং নদীর মূল প্রবাহের খুব কাছাকাছি এলাকায় নির্মাণ করা হয় রিসর্টটি। এক সময় ওই জায়গায় কুর্তি নদী প্রবাহিত হত। নির্ধারিত সময়ে নির্দেশ না মানায় শুক্রবার বিকেল থেকে উচ্ছেদ অভিযানে নামে বুলডোজার। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় অবৈধ বিশাল রিসর্টটি।
স্থানীয় সূত্রে খবর, রিসর্টের মালিক সৌমেন মালাকারের সঙ্গে কলকাতার এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। অভিযোগ, সেই প্রভাব খাটিয়েই প্রায় ১০–১২ বছর আগে কিছু তৃণমূল নেতার সহায়তায় তিনি নদীর চরের জমি দখলে নিয়ে সেখানে রিসোর্ট তৈরি করেছিলেন।
কুর্তির চরে গড়ে ওঠা এই রিসর্টে চলল বুলডোজার। নিজস্ব ছবি।
স্থানীয় সূত্রে খবর, রিসর্টের মালিক সৌমেন মালাকারের সঙ্গে কলকাতার এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। অভিযোগ, সেই প্রভাব খাটিয়েই প্রায় ১০–১২ বছর আগে কিছু তৃণমূল নেতার সহায়তায় তিনি নদীর চরের জমি দখলে নিয়ে সেখানে রিসোর্ট তৈরি করেছিলেন। তবে এই অভিযোগের ভিত্তিতে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
