অরূপ বসাক: সকাল থেকে পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়নকে ঘিরে উত্তেজনা মালবাজার বিডিও অফিস চত্বরে। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয় পুলিশ। তৃণমূল-বিজেপি-সিপিএমের মধ্যে হাতাহাতি, মারপিটে উত্তপ্ত এলাকা।
[ পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন LIVE: রক্তাক্ত সিউড়ি, রাজনৈতিক কর্মীর মৃত্যু ঘিরে তরজা ]
সকাল থেকে মালবাজার বিডিও অফিসের সামনে ছিল পুলিশের কড়া নিরাপত্তা, মোতায়েন করা হয় পুলিশকর্মীদের। পুলিশের পাশাপাশি প্রচুর তৃণমূল সমর্থকও ছিল বিডিও অফিসের বাইরে। অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মীরা যাতে মনোনয়ন জমা দিতে না পারে সে কারণেই এই জমায়েত বলে অভিযোগ। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেশ কয়েকজন বিজেপি এবং সিপিএম প্রার্থীদের ধাক্কাধাক্কি দেয় তৃণমূল কর্মীরা, তাঁদের বিডিও অফিস চত্বর থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে বিরোধীদের অভিযোগ। এই খবর মালবাজার থানার আধিকারিকদের কানে যেতেই প্রচুর পুলিশ এসে বিডিও চত্বর এলাকা খালি করে দেয়। সেই সুযোগে বিজেপি এবং সিপিএম প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে বিডিও অফিসে ঢুকতে গেলেই বেধে যায় তুমুল গণ্ডগোল। আর এতে সিপিএম, বিজেপি এবং তৃণমূলের বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়। এরপরে পুলিশ লাঠি চালায় বলে অভিযোগ।
[ ‘রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির অবস্থা’, দিলীপের দাবির পালটা ফিরহাদের ]
বিজেপি এবং সিপিএমের অভিযোগ, তৃণমূলের কর্মীরা তাদের দলের মহিলাদেরও মারধর করে। রাস্তার মধ্যে মহিলাদের ফেলে মারা হয়। এমনকী এক মহিলা নিজের কাজের জন্য বিডিও অফিসে ঢুকতে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়। বিজেপি নেতা পঙ্কজ তিওয়ারি বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীর জন্য আজও নমিনেশন দিতে পারিনি আমরা।” সিপিএম নেতা বলবাহাদুর থাপা বলেন, “আমাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়।” মাল ব্লক সভাপতি তমাল ঘোষ এবং মাল পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন সাহা বলেন, “সকাল থেকে শান্তিতেই নমিনেশন হচ্ছিল, কিন্তু বিজেপি এবং সিপিএমের কিছু ক্যাডার এসে এলাকায় গণ্ডগোল বাধায়। তবে পুলিশ সব নিয়ন্ত্রণ করেছে।”
