মাঝে মাঝে ছন্দপতন হলেও, পৌষে বেশ জাঁকিয়ে ব্যাটিং শীতের। ফের কমল কলকাতা-সহ বঙ্গের তাপমাত্রা। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমল ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী দু'দিনে আরও কিছুটা কমতে পারে তাপমাত্রা। পৌষ সংক্রান্তিতেও তীব্র শীতের সাক্ষী থাকবে গোটা বাংলা। শীতের পাশাপাশি সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার দাপটও বজায় থাকবে রাজ্যে।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ১৫ জানুয়ারি ঢুকবে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। এছাড়া দক্ষিণ তামিলনাডু উপকূল এলাকা এবং সংলগ্ন গালফ অফ মানারে ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। আবার এদিকে, বাংলায় কিছুটা কমলো তাপমাত্রা। ফের ১২ ডিগ্রির ঘরে কলকাতার পারদ। সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৪ ডিগ্রি। রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩.৯ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৩৭ থেকে ৯১ শতাংশ। অন্যান্য জেলাগুলির তাপমাত্রা ১১-১৩ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৭- ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পৌষ সংক্রান্তিতে জমিয়ে শীতের স্পেল চলবে। সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা রাজ্যে। কিছু এলাকায় বেলা পর্যন্ত কুয়াশার দাপট থাকবে। পরে আকাশ পরিষ্কার হয়ে দেখা মিলবে রোদের।
আগামী পাঁচ থেকে সাতদিন উত্তরবঙ্গের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার কোনও হেরফের নেই। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবং উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলায় ৮-১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে তাপমাত্রা। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতে ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারের কাছাকাছি নেমে আসতে পারে। বেলা বাড়লে আকাশ পরিষ্কার। মূলত শুষ্ক আবহাওয়া। বৃষ্টির কোন সম্ভাবনা নেই। এদিকে, ভিনরাজ্যেও তীব্র ঠান্ডা। চরম শৈত্যপ্রবাহ জারি থাকবে হিমাচল প্রদেশ, রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশের কিছু অংশে। এছাড়া দিল্লি, পাঞ্জাব, চণ্ডীগড়, হরিয়ানা, সৌরাষ্ট্র, কচ্ছ এবং উত্তরাখণ্ডে শৈত্যপ্রবাহের সর্তকতা জারি হয়েছে। তামিলনাডু, পন্ডিচেরি এবং কড়াইকালে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা।
