মহম্মদ শামির পর লক্ষ্মীরতন শুক্ল (Laxmi Ratan Shukla)। আবারও এসআইআর 'কোপে' তারকা ক্রিকেটার। সূত্রের খবর, এসআইআর শুনানিতে (SIR Hearing) তলব করা হয়েছে বাংলা দলের হেডকোচকে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় লক্ষ্মীর নাম ছিল না বলেই আপাতত জানা গিয়েছে। শোনা যাচ্ছে ভোটার তালিকায় নেই প্রাক্তন বঙ্গ অধিনায়কের বাবার নামও। উল্লেখ্য, ভারতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন লক্ষ্মী। পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীও ছিলেন তিনি।
সূত্রের খবর, বাংলা দলের হেডকোচ উত্তর হাওড়ার হিন্দি হাই স্কুলের ভোটার। কিন্তু ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় লক্ষ্মীরতনের নাম ছিল না। তাঁর বাবা উমেশ শুক্লর নামও ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় মেলেনি। সেই কারণেই এসআইআর শুনানিতে ডাকা হয়েছে ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটারকে। মঙ্গলবার অথবা বুধবার তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। বর্তমানে বাংলা দলের কোচ জানিয়েছেন, তিনি হাজিরা দেবেন এসআইআর শুনানিতে। সূত্রের খবর, বাম জমানায় ভোট সন্ত্রাসের জেরেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছিল লক্ষ্মীর বাবার নাম। সেখান থেকেই সমস্যার সূত্রপাত।
সূত্রের খবর, বাম জমানায় ভোট সন্ত্রাসের জেরেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছিল লক্ষ্মীর বাবার নাম। সেখান থেকেই সমস্যার সূত্রপাত।
উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই এসআইআর শুনানিতে তলব করা হয়েছিল মহম্মদ শামিকে। বর্তমানে রাসবিহারী বিধানসভার অন্তর্ভুক্ত কলকাতা পুরসভার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার শামি। সেখানকার ভোটার হিসাবে নথিভুক্ত রয়েছে তারকা পেসারের নাম। কিন্তু গত সোমবার এসআইআর শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয় শামিকে। বাংলার হয়ে বিজয় হাজারে ট্রফি খেলতে ব্যস্ত ছিলেন তারকা পেসার। সেকারণে শুনানিতে হাজির থাকতে পারেননি। জানা গিয়েছে, আগামী বুধবার শুনানিতে উপস্থিত থাকবেন শামি।
তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও কমিশনকে তোপ দেগেছেন এই ইস্যুতে। বলেন, “দেশের মুখ উজ্জ্বল করা ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকে নোটিস দিয়েছে। এগুলো কি ষড়যন্ত্র নয়?" নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে থাকা পরিবারের সদস্যদের নাম উল্লেখ করতে হয় লিঙ্কেজ কলামে। শামির ফর্মে সেই তথ্য নেই। একই সমস্যা রয়েছে তৃণমূলের তারকা সাংসদ দেবের ফর্মেও। সেই কারণেই তাঁদের ডাকা হয়েছে এসআইআর শুনানিতে।
