ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) বঙ্গে বহু রঙ্গ! একদিকে তৃণমূল-বিজেপি যুযুধান দুই প্রতিপক্ষ, অন্যদিকে বাকি বিরোধীরা কীভাবে কার সঙ্গে জোট বেঁধে লড়বে, তা নিয়ে এখনও বিভ্রান্ত। এখনও তাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। এরই মাঝে নয়া রাজনৈতিক দলে যোগ দিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) প্রাক্তন জামাই ইয়াসির হায়দার। শনিবার তিনি রেজিনগরে তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir) দল জনতা উন্নয়ন পার্টিতে যোগ দিয়েছেন। যদিও ইয়াসিনের এই রাজনৈতিক বদলকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল। দলের অন্যতম মুখপাত্রের কথায়, ''এদের কোনও রাজনৈতিক আদর্শ নেই। আজ এই দল, কাল ওই দল করে বেড়ায়। এদের দলবদলে কিছু যায় আসে না।''
শুধু ইয়াসির হায়দার নয়, এদিন রেজিনগরের সভায় হুমায়ুনের দলে যোগ দিয়েছেন তাঁর ছেলে তথা বেলডাঙা-২ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ গোলাম নবী আজাদ রবীন, পঞ্চায়েত সমিতির দলনেতা তৃণমূলের জহিরুদ্দিন মোল্লা ও কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক পীরজাদা বসিরহাট হুমায়ুন আমিন।
নয়া রাজনৈতিক দলে যোগ দিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের প্রাক্তন জামাই ইয়াসির হায়দার। শনিবার তিনি রেজিনগরে তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের দল জনতা উন্নয়ন পার্টিতে যোগ দিয়েছেন। যদিও ইয়াসিনের এই রাজনৈতিক বদলকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল।
মঞ্চে হুমায়ুনের পাশে বসে ইয়াসিন হায়দার। নিজস্ব ছবি
ইয়াসিরের এই দলবদলকে একবিন্দু গুরুত্ব দিচ্ছে না শাসকশিবির। তাঁর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই, তাই প্রভাবও শূন্য, এমনই মত তৃণমূল নেতৃত্বের।
শাসকদল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে আত্মপ্রকাশ করা জনতা উন্নয়ন পার্টি ছাব্বিশের ভোটে কিছু না কিছু প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তবে রাজনীতির অন্দরে থাকা বিশ্লেষকদের মতে, মুর্শিদাবাদ ছাড়াও কোথাও হুমায়ুনের এই নয়া দল আদৌ দাগ কাটতে পারবে না। এসব হিসেবনিকেশের মধ্যেই রেজিনগরে শনিবার বড়সড় সভা করলেন হুমায়ুন। সঙ্গী আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল মিম, এসডিপিআই ও আজাদ সমাজ পার্টি। মিমের তরফে রাজ্য সভাপতি ইমরান সোলাঙ্কি এবং আজাদ সমাজ পার্টির রাজ্য ইনচার্জ ইন্তাজ আহমেদ মোল্লা উপস্থিত ছিলেন সভায়।
সেখানেই হুমায়ুনের হাত থেকে পতাকা নিয়ে জনতা উন্নয়ন পার্টিতে যোগ দিতে দেখা গেল ফিরহাদ হাকিমের প্রাক্তন জামাই ইয়াসির হায়দারকে। দলের প্রতিষ্ঠাতার পাশে বসে ফটোশুটও করলেন। তবে ইয়াসিরের এই দলবদলকে একবিন্দু গুরুত্ব দিচ্ছে না শাসকশিবির। তাঁর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই, তাই প্রভাবও শূন্য, এমনই মত তৃণমূল নেতৃত্বের।
