বুথ জ্যাম কিংবা ভোট রিগিং, ক্যাপচারিংয়ের অভিযোগ কোনওভাবেই বরদাস্ত নয়। ভাঙড় থানায় পরিদর্শনে গিয়ে পুলিশকে স্পষ্ট নির্দেশ কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দার। ভোট প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তায় এবার কড়া নজরদারি চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশ মেনে আজ রবিবার রাজ্যের সমস্ত থানায় যান পুলিশ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। সেই মতো এদিন সকালে ভাঙড় থানায় উপস্থিত হন কলকাতা পুলিশ কমিশনার। সেখানেই পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সবাইকে নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন ফলো করতে হবে। একইসঙ্গে বুথ জ্যাম, ভোট রিগিং, ক্যাপচারিংয়ের অভিযোগ যে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে তাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন এদিন অজয় নন্দা।
পরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাতে কলকাতা পুলিশ প্রস্তুত। বিভিন্ন এলাকায় নাকা এবং তল্লাশি চলছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়েও চলছে টহল। অজয় নন্দা জানান, ভোটের আগে আরও কেন্দ্রীয়বাহিনী আসছে। শুধু ভাঙড় থানা এলাকা নয়, ভোটের আগে পুলিশের প্রস্তুতি কেমন রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে এদিন দক্ষিণ শহরতলীর তিনটি থানা ঘুরে দেখেন প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজি কঙ্কর প্রসাদ বারুই। নরেন্দ্রপুর সোনারপুর এবং বারুইপুর, এই তিনটি থানা সরজমিনে ঘুরে দেখেন তিনি। শুধু তাই নয়, এই তিনটি থানা এলাকায় পুলিশের নিরাপত্তা কেমন তাও আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন
দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বারুইপুর পুলিশ জেলার মধ্যে শহরতলীর এই তিনটি থানাই একেবারে কলকাতা লাগোয়া। এই সমস্ত থানাগুলিতে আছে গ্রামীণ এলাকার একাধিক বুথ। সেই সব বুথগুলিতে পুলিশের তরফে কীভাবে নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব তার জন্য কি কি প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ তাও এদিন বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন বিভিন্ন থানার আধিকারিকরা।
এই বিষয়ে কঙ্কর প্রসাদ বারুই বলেন, ''ভোট ঘোষণা হওয়ার পর কী প্রস্তুতি রয়েছে সেগুলি খতিয়ে দেখা হয়েছে। পাশাপাশি ভোট গ্রহণের জন্য কী কী করতে হবে তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রতিটি বিষয়কে খতিয়ে দেখা হয়েছে।'' শুধু তাই নয়, অফিসার থেকে হোমগার্ড পর্যন্ত সকলকে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে বলেও জানিয়েছেন প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজি। তাঁর কথায়, নির্বাচন পুরোপুরি ফেয়ার-ফ্রি এবং ভয়হীন ভাবে হয়, সেই বার্তা দেওয়ার জন্যই বিভিন্ন থানাতে আসা । ইলেকশন কমিশনের যে গাইডলাইন আছে তা মেনে চলাই হবে মূল উদ্দেশ্য।
