সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোমবার পিতৃহারা হয়েছেন অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rachna Banerjee)। রচনার কাছে তাঁর বাবা ছিলেন বন্ধুসম। সঠিক অর্থে বলতে গেলে রচনার কাছে তাঁর বাবা রবীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন ফ্রেন্ড, ফিলজফার ও গাইড। তাই তো বাবাকে হারিয়ে হঠাৎই অনেকটাই অগোছালো হয়ে উঠেছেন রচনা। কারণ, বাবাই তো তাঁকে শিখিয়ে ছিলেন জীবন গোছাতে। সেই মানুষটিই আর তাঁর পাশে নেই।
পিতৃহারা হয়ে সব ব্য়স্ততা থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন রচনা। নিজের মতো করে এই শোকের সময়টা সামলে নিচ্ছেন। তাই তো বাবার মৃত্যুর প্রায় তিনদিন পর সোশ্য়াল মিডিয়ায় বাবার স্মৃতিচারণায় ভেসে গেলেন অভিনেত্রী। বাবার ছবি পোস্ট করে রচনা লিখলেন, ‘আমার বাপি…ভাবিনি একদিন একা হয়ে যাবো। ভাবিনি তুমি চলে যাবে এখনও অনেকগুলো বছর তোমাকে ছাড়া কাটাতে হবে। তোমার আশীর্বাদ আমাদের সাথে আছে আমি জানি। থাকবো…. থাকতে হবে। তুমি ভালো থেকো বাপি।’
[আরও পড়ুন: যমজ সন্তানের মা হলেন প্রীতি জিন্টা, সোশ্যাল মিডিয়ায় দিলেন সুখবর]
রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাঁর বাবা ছিলেন বন্ধুসম। জীবনের দর্শন রচনা শিখেছিলেন তাঁর বাবার কাছ থেকেই। কীভাবে জীবনকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে হয়, তা পুরোটাই বাবা হাতে ধরে শিখিয়েছেন রচনাকে। সিনেমাজগতের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না থাকলেও, রচনার কাছে তাঁর বাবা স্টারের থেকে কম ছিলেন না। জীবনের বেশিরভাগ সময় তিনি কাটিয়েছেন দক্ষিণ কলকাতার গোলপার্ক অঞ্চলের ‘মেঘমল্লার’ নামে এক বহুতলে। গত সোমবারই শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে তাঁর।
সিনেমার পাশাপাশি টিভি সঞ্চালনায় দারুণ জনপ্রিয় রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ‘দিদি নাম্বার ওয়ানে’র টিআরপি সব সময়ই ঊর্ধ্বমুখী। এই শোয়ে আসা সমস্ত অতিথিদের সঙ্গে সুখ দুঃখের গল্প ভাগ করে নেন অভিনেত্রী। রচনার হাসিখুশি স্বভাবের জন্যই দর্শকদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় অভিনেত্রী। তারকা হয়েও কীভাবে মাটির মানুষ হয়ে থাকতে হয়, তা রচনা শিখেছেন তাঁর বাবার কাছ থেকেই। সেই বাবাকে হারিয়েই শোকস্তব্ধ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়।
