সমস্যা যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত 'টাটিরি' গানে নারী শরীর নিয়ে চটুল কথা এবং আপত্তকর দৃশ্যায়ন নিয়ে নিন্দার ঝড় বয়ে গিয়েছে দেশজুড়ে। বিতর্কের আবহেই অভিনেত্রী ইশা রিখির সঙ্গে চুপিসারে দ্বিতীয়বার বিয়ে করে চর্চায় গায়ক বাদশা। অন্যদিকে মুম্বইয়ের কনসার্ট ঘিরে বিতর্কে জড়িয়েছেন ব়্যাপার হানি সিং-ও। নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার অভাব থেকে মহিলা অনুরাগীর নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে বচসায় জডা়নোর মতো অনভিপ্রেত ঘটনার কারনে শিরোনামে ইয়ো ইয়ো হানি সিং। এর মাঝেই দানা বেঁধেছে আরও এক বিতর্ক। ২০০৬-২০০৭ সালে বাদশা-হানি সিংয়ের যুগলবন্দি গান 'ভলিউম ওয়ান' অবিলম্বে সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি উচ্চ আদালত।
আদালত দাবি, গানটি অত্যন্ত অশ্লীল এবং নারীদের প্রতি অবমাননাকর, সামাজিক মূল্যবোধ নষ্ট হচ্ছে। আরও অভিযোগ গানটির কথাই শুধু আপত্তিকর নয় নির্মানশৈলিতেও স্পষ্ট নারীরা কেবলই ভোগ্যপণ্য। সমাজে মহিলাদের নিয়ে এহেন উপহাসে ক্ষুব্ধ আদালত। এই ধরনের কনটেন্ট অনলাইনে ছড়িয়ে পড়লে সমাজের ক্ষতি। বেপথে চালিত হতে পারে যুবসমাজ যা শিল্পী স্বাধীনতার নামে কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানিয়েছে দিল্লি উচ্চ আদালত।
কোনও সভ্য সমাজ এই ধরনের কনটেন্টকে অবাধে উপলব্ধ বা অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে না। তাই গানটি সব অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। প্রসঙ্গত, হানি সিং এবং বাদশা তাঁদের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন 'মাফিয়া মুন্ডির' নামক একটি গ্রুপের সদস্য হিসেবে। এছাড়াও ছিলেন ইক্কা, লিল গোলু এবং রাফতারও।
আদালতের অভিযোগ, গানটির কথাই শুধু আপত্তিকর নয় নির্মানশৈলিতেও স্পষ্ট নারীরা কেবলই ভোগ্যপণ্য। সমাজে মহিলাদের নিয়ে এহেন উপহাসে ক্ষুব্ধ আদালত।
যৌথভাবে বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গান শ্রোতাদের উপহার দিয়েছেন। সেই তালিকায় রয়েছে 'খোল বোতল', 'বেগানি নার বুড়ি' ও 'দিল্লি কে দিওয়ানে'। ২০১২ সালে শেষবার পারফর্ম করেছিল এই ব্যান্ড। পরে মতবিরোধের জেরে দলটি ভেঙে যায় এবং প্রকাশ্যে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। এমনকী সোশাল মিডিয়ায় একে অপরকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি।
