সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর থেকে স্মরণসভা নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক। সানি, ববি দেওল আয়োজিত স্মরণসভায় দেখা যায়নি হেমাকে। তাঁর দুই মেয়ে এষা, অহনাও সেই স্মরণসভায় ছিলেন গরহাজির। আবার হেমা মালিনীও পৃথক শোকসভার আয়োজন করেন। মুম্বই এবং দিল্লির দু'টি স্মরণসভায় দেখা যায় সানি, ববিদের কাউকে। আর তারপর থেকেই পরিবারে ভাঙনের জল্পনায় মুখর বি-টাউন। বলিপাড়ার অন্দরে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে সেকথা। নীরবতা ভেঙে সমালোচকদের যোগ্য জবাব দিলেন হেমা মালিনী।
গত ২৪ নভেম্বর চিরঘুমের দেশে পাড়ি দিয়েছেন বলিউডের ‘হিম্যান’। ৩ ডিসেম্বর হরিদ্বারে প্রয়াত অভিনেতার শ্রাদ্ধকর্ম সেরে অস্থি বিসর্জন করেছেন সানি-ববিরা। তবে সেখানেও হেমা কিংবা তাঁর দুই কন্যাকে দেখা যায়নি। বরং ধর্মেন্দ্র অস্থি বিসর্জনের প্রথা পালন করেছেন তাঁর নাতি করণ দেওল। শেষকৃত্যের মতো এক্ষেত্রেও গোপনীয়তা বজায় রাখতে চেয়েছিলেন সানি-ববিরা। কিন্তু সেখানেও হেমা মালিনীর অনুপস্থিতি নিয়ে কম চর্চা হয়নি! স্মরণসভাতেও মতানৈক্য ছিল বিস্তর।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে হেমা বলেন, "এটা আমাদের পরিবারের ব্যক্তিগত বিষয়। আমরা প্রত্যেকে একে অপরের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছি। আমি আমার বাড়িতে একটি স্মরণসভার আয়োজন করি। কারণ, আমার পরিচিত লোকজনেরা একটু অন্যরকম। আমি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সেই পরিসরের বন্ধুবান্ধবদের জন্য আমি দিল্লিতে আরও একটি স্মরণসভা করি। মথুরা আমার লোকসভা কেন্দ্র। সেখানকার মানুষেরা ধর্মেন্দ্রর জন্য় পাগল। তাই সেখানেও একটি আলাদা স্মরণসভার আয়োজন করেছিলাম। আমি যা করেছি তাতে খুশি।" ওই একই সাক্ষাৎকারে পারিবারিক ভাঙনের গুজবও উড়িয়ে দিয়েছেন হেমা। তাঁর দাবি, "সব কিছু ঠিকঠাক রয়েছে। সুতরাং পরিবারে ভাঙন নিয়ে চিন্তাভাবনা করার কোনও কারণ নেই। আমরা একেবারেই ঠিক আছি।" শোনা গিয়েছে, মুম্বইয়ের লোনাভেলায় ১০০ একর জমির উপর বিলাসবহুল ফার্মহাউসে অনুরাগীদের জন্য মিউজিয়াম তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। সেকথার সত্য়তা স্বীকার করে নেন 'ড্রিম গার্ল'। তিনি জানান, সানি দেওল এমন পরিকল্পনা করেছেন। তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে।
