ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ ছিল বিজেপির বাংলা জয়ের অন্যতম অস্ত্র। নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের বহু আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট ইস্যুকে হাতিয়ার করে প্রাক্তন শাসকদলকে একাধিকবার আক্রমণ শানিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ থেকে শুরু করে পদ্মশিবিরের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্বরা। এবার সেই 'অনুপ্রবেশ' মন্ত্র আউড়েই বঙ্গের 'গৈরিকীকরণের দুই কারিগর' মোদি-শাহকে কুর্নিশ জানালেন হেমা মালিনী। ছাব্বিশের রেজাল্টে তৃণমূলের বিধ্বংসী হারের নেপথ্যে কোন অঙ্ক কাজ করেছে? তারই ব্যাখ্যা তুলে ধরলেন 'ড্রিম গার্ল'।
"বিজেপির আদর্শে মোদীজি এবং অমিত শাহজির অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই এই অসাধারণ বিপুল জয় এসেছে। এই দুই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নেতা, আমাদের সীমান্তকে বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারী এবং জঙ্গিদের হাত থেকে...।"
গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হয়েছে। শ্যামাপ্রসাদের স্বপ্নপূরণ করে নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সদ্য বাংলার মসনদে বসেছেন মেদিনিপুরের ভূমিপুত্র শুভেন্দু অধিকারী। এমন আবহেই বাংলার রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদলের অঙ্ক নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপির তারকা সাংসদ হেমা মালিনী। বাংলায় পদ্ম শিবিরের জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে প্রবীন নেত্রী-অভিনেত্রীর মন্তব্য, "বিজেপির আদর্শে মোদীজি এবং অমিত শাহজির অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই এই অসাধারণ বিপুল জয় এসেছে। এই দুই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নেতা, আমাদের সীমান্তকে বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারী এবং জঙ্গিদের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখতে এবং দেশের নিরাপত্তার জন্য সীমান্ত বন্ধ করতে বদ্ধপরিকর ছিলেন।"
বঙ্গে গেরুয়া ঝড়। ছবি: পিটিআই
এরপরই প্রাক্তন তৃণমূল সরকারকে বিঁধে হেমার সংযোজন, "এর আগে রাজনৈতিক স্বার্থে ভোটব্যাঙ্ক তৈরির উদ্দেশ্যে সীমান্তকে কার্যত উন্মুক্ত করে রাখা হয়েছিল। যার ফলে দেশবিরোধী কার্যকলাপও বৃদ্ধি পাচ্ছিল। কিন্তু আমাদের দুই মহাতারকা নেতা এক কোপেই সেই পরিস্থিতির অবসান ঘটালেন। দীর্ঘদিনের হিংসা, অশান্তি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি থেমে গিয়ে এখন বাংলায় শান্তি ও উন্নয়নের আশা ফিরল।" বাংলায় গেরুয়া শিবিরের এহেন ঐতিহাসিক জয়ে বিজেপির নেতৃত্বকে কুর্নিশ জানিয়েছেন হেমা মালিনী।
