'হেরা ফেরি ৩' ঘিরে ফের বিতর্কের মেঘ। এবার আইনি জটিলতায় অক্ষয় কুমার-পরেশ রাওয়াল ও সুনীল শেট্টির জনপ্রিয় হেরা ফেরি ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় ছবি। এই ছবির স্বত্ব নিয়েই যত জটিলতার সূত্রপাত। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করেছে প্রযোজনা সংস্থা 'সেভেন আর্টস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।'
মাদ্রাজ হাই কোর্টে এই নিয়ে মামলা দায়ের করেছেন দক্ষিণী প্রযোজক জিপি বিজয়কুমার। ইতিমধ্যেই সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এই নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, এই ছবির স্বত্ব ২০২২ সালেই প্রযোজক রামোজি রাও স্পিকিংয়ের থেকে কিনে নিয়েছেন তিনি। এই ছবির স্বত্ব কোনওভাবেই ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার নয়। তাই তা তিনি কোনওভাবে বেচতেও পারেন না। এর অধিকার তাঁর নেই। এই ছবির একটি সিক্যুয়েল বানানোর স্বত্বই শুধুমাত্র পেয়েছিলেন ফিরোজ। 'হেরা ফেরি' ফ্র্যাঞ্চাইজির সেই ছবি ২০০৬ সালে মুক্তি পায়। এরপর থেকে এই ছবির কোনওরকম সিক্যুয়েল বা প্রিকুয়েল বানানোর অধিকার আর তাঁর নেই। তিনি যা করেছেন তা আইনবিরুদ্ধ।" ফিরোজ কী করে তার স্বত্ব বেচতে পারেন এই প্রশ্নও তুলেছেন জিপি বিজয়কুমার।
প্রযোজনা সংস্থার তরফে দক্ষিণী প্রযোজক জিপি বিজয়কুমার মুখ খুলেছেন। তাঁর দাবি, এই ছবির স্বত্ব ২০২২ সালেই প্রযোজক রামোজি রাও স্পিকিংয়ের থেকে কিনে নিয়েছেন তিনি।
বলে রাখা ভালো, এর আগে 'হেরা ফেরি ৩'-এর স্বত্ব কিনেছিলেন ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার থেকে অক্ষয় কুমার। অক্ষয় কুমারের প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে বিজয়কুমার যোগাযোগ করার পরই এই বিষয় সম্পর্কে অবগত হন তিনি। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, অন্যদিকে অক্ষয় কুমারের প্রযোজনা সংস্থার দাবি তাঁরা ফিরোজের থেকে সমস্ত পদ্ধতি মেনেই এই স্বত্ব কিনেছে। পালটা 'সেভেন আর্টস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড' প্রশ্ন তুলেছে, যার কাছে এই স্বত্ব বিক্রি করার কোনও অধিকারই নেই সে কী করে তা বেচতে পারে? বলে রাখা জরুরি, যেহেতু ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার থেকে এই স্বত্ব কিনেছে অক্ষয়ের প্রযোজনা সংস্থা সেহেতু ফিরোজের সঙ্গে সঙ্গে অক্ষয়ও এই জটিলতার শিকার। এই কারণে আপাতত থমকে 'হেরা ফেরি ৩'-এর শুটিং। এই আইনি জটিলতার নিরসন না হওয়া পর্যন্ত এই ছবির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে।
