বিগত কয়েক বছরে একের পর এক সিনেমা ফ্লপ। দেশাত্ববোধক ছবিতে অভিনয় করেও ফেরেনি কপাল! নিন্দুকেরা বলেন, 'বিতর্কে বাজিমাত করলেও আজকাল বক্স অফিসে নম্বর তুলতে ব্যর্থ হচ্ছেন কঙ্গনা রানাওয়াত!' ফিল্মি কেরিয়ারে ভাঁটার মাঝেই চব্বিশ সালে রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু করেছেন। যদিও সাংসদের মাসমাইনে নিয়ে 'কন্ট্রোভার্সি ক্যুইন' যে সন্তুষ্ট নন, সেকথা নিজেই জানিয়েছিলেন, তবুও সংসদে দাঁড়িয়ে বিরোধী শিবিরগুলির উদ্দেশে তোপ দাগতে পিছপা হন না তিনি। এবার বক্স অফিসে ফ্লপের ফাঁড়া কাটাতে দারুণ স্ট্র্যাটেজি কঙ্গনা রানাউতের।
যে কঙ্গনা একসময় একার দাপটেই বক্স অফিসে রাজত্ব করতেন, বিগত পাঁচ বছর ধরে সেই অভিনেত্রীর 'সুপারহিট মার্কশিট' অধরা। লাগাতার ফ্লপের ঠেলায় কেরিয়ারে যখন 'কলঙ্ক' জাঁকিয়ে বসেছিল, তখন ইন্দিরা গান্ধী, থুড়ি 'এমার্জেন্সি'র হাত ধরেই শাপমোচন করতে চেয়েছিলেন কঙ্গনা। কিন্তু সেবারও বিফলে যায় চেষ্টা। কিছুটা ড্যামেজ কন্ট্রোল করেছিলেন বটে, তবে ক্যাশবাক্সে তেমন লক্ষ্মীলাভ করতে পারেননি।
বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, সদ্য দক্ষিণ মুম্বইতে 'ক্যুইন ২' ছবির শুটিং শুরু করেছেন কঙ্গনা। একদিকে মাণ্ডির সংসদীয় দায়দায়িত্ব, সংসদে হাজিরা, অন্যদিকে সিনেমার শুটিং- সবটাই একসঙ্গে সামলাতে হচ্ছে পদ্ম শিবিরের নেত্রী-অভিনেত্রীকে। সেই প্রেক্ষিতেই কঙ্গনাকে বর্তমানে অত্যন্ত ব্যস্ত শিডিউলের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। কারণ নিয়মিত দিল্লি-মুম্বই যাতায়াত লেগেই থাকছে তাঁর। সূত্রের খবর, এপ্রিল মাসের প্রথমার্ধেই 'ভারত ভাগ্য বিধাতা' ছবির কাজ শেষ করেন কঙ্গনা। এরপরই 'ক্যুইন ২'-এর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন। তবে 'রানি'কে নতুন মেজাজে ফেরাতে হাতে পেয়েছিলেন মোটে ২০ দিন সময়। খবর, গত সপ্তাহেই পরিচালক বিকাশ বহেলের সঙ্গে ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সুপারহিট সিনেমা 'ক্যুইন' সিক্যুয়েলের শুটিং শুরু করেছেন কঙ্গনা। বর্তমানে মুম্বই এবং শহরতলীর বিভিন্ন প্রান্তে চলছে শুটিং। এমনকী গ্রান্ট রোড এলাকায় কঙ্গনার চরিত্র 'রানি'র বাড়ি হিসেবে একটি সেটও তৈরি করা হয়েছে। সেখানেই জোরকদমে চলছে শুটিং।
'ক্যুইন' ছবিতে কঙ্গনা রানাউত। ছবি- সংগৃহীত
যে কঙ্গনা একসময় একার দাপটেই বক্স অফিসে রাজত্ব করতেন, বিগত পাঁচ বছর ধরে সেই অভিনেত্রীর 'সুপারহিট মার্কশিট' অধরা। লাগাতার ফ্লপের ঠেলায় কেরিয়ারে যখন 'কলঙ্ক' জাঁকিয়ে বসেছিল, তখন ইন্দিরা গান্ধী, থুড়ি 'এমার্জেন্সি'র হাত ধরেই শাপমোচন করতে চেয়েছিলেন কঙ্গনা। কিন্তু সেবারও বিফলে যায় চেষ্টা। কিছুটা ড্যামেজ কন্ট্রোল করেছিলেন বটে, তবে ক্যাশবাক্সে তেমন লক্ষ্মীলাভ করতে পারেননি। উপরন্তু লাইট-ক্যামেরা, অ্যাকশনের দুনিয়া থেকে দূরে কঙ্গনাকে বর্তমানে হিমাচলের মাণ্ডির সাংসদপদের দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে। সাংসদ হওয়ার পর পঁচিশ সালে 'তনু ওয়েডস মনু'র সিক্যুয়েলের শুটিং করেছিলেন কঙ্গনা রানাউত। কিন্তু সেই সিনেমা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও উচ্চবাচ্য নেই নির্মাতাদের! এবার 'ভারত ভাগ্য বিধাতা'র কাজ শেষে ফের 'ক্যুইন'-এর হাত ধরে বলিউডি ছন্দে প্রত্যাবর্তন করতে চলেছেন কঙ্গনা রানাউত।
