যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের 'পৈশাচিক কেচ্ছা-কেলেঙ্কারি'র তথ্য শুনে পিলে চমকে উঠেছে গোটা বিশ্বের! বিকৃতকাম মনস্কের কুকীর্তির এই নথিতে নামোল্লেখ রয়েছে তাবড় সব রাষ্ট্রনেতা, সেলেবদের। মার্জিত চেহারার অন্তরালে এহেন কুৎসিত 'মুখ'? স্তম্ভিত গোটা দুনিয়া! সম্প্রতি এপস্টেইনের ইমেলে মীরা নায়ার, অনুরাগ কাশ্যপ, নন্দিতা দাসের মতো পরিচালকদেরও নামও পাওয়া গিয়েছে। যদিও তাতে প্রমাণিত হয় না যে, এপস্টেইনের বর্বর কীর্তিকলাপের সঙ্গে তাঁরাও যুক্ত। এবার 'যৌন কেচ্ছার ডায়েরি' ঘেঁটে বিস্ময় প্রকাশ করলেন কঙ্গনা রানাউতও। সাংসদ-নায়িকার মতে, বিশ্বকে বাঁচানোর একমেবাদ্বিতীয়ম পন্থা এখন সনাতন ধর্মই।
অন্ধকার সাম্রাজ্যে কীভাবে এহেন পৈশাচিক কর্মকাণ্ড চালাত জেফরি এপস্টেইন? বিশ্ববরেণ্য সেলেবরাই বা কীভাবে এহেন কুকীর্তিতে মদত দিতেন? এপস্টেইন ফাইলস দেখে সেসব প্রশ্নই উঁকি দিয়েছে কঙ্গনার মনে। শুধু তাই নয়, এই যৌন কেচ্ছার দলিল পড়ে-শুনে নাকি সমাজের প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিও বদলে গিয়েছে! কী বলছেন নেত্রী-অভিনেত্রী? কঙ্গনার মন্তব্য, "এপস্টেইন ফাইলস সম্পর্কে পড়ে-দেখে খুবই বিরক্ত বোধ করছি। অপরাধ সব জায়গাতেই ঘটে। কিন্তু যেভাবে সেই অপরাধ প্রবণতাকে তোল্লাই দেওয়া হয়েছে, তা দেখে মনে হচ্ছে যেন এটা উচ্চবিত্ত সমাজের কোনও ফ্যাশন বা সাংস্কৃতিক প্রথা। শুধু তাই নয়, এটাকে ভয়ংকর কোনও শয়তানি বা দানবীয় ধর্ম বলেই মনে হচ্ছে। যেসমস্ত রকস্টার, গায়ক, সিনেমার তারকা, রাজনীতিবিদ, মডেল, চলচ্চিত্র পরিচালক, যাদের সম্পর্কে পড়ে আমরা বড় হয়েছি, তারা কীভাবে অসহায় তরুণী এবং ছোট ছোট শিশুদের হত্যা করতে রাজি হল?" প্রশ্ন ছুঁড়েছেন কঙ্গনা। এখানেই অবশ্য থামেননি বিজেপি সাংসদ।
কঙ্গনা রানাউত, ছবি- এক্স হ্যান্ডেল
সমাজের ভবিষ্যৎ, এমনকী মানব সভ্যতার অস্তিত্ব নিয়েও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন কঙ্গনা রানাউত। তিনি বলছেন, "এসব দেখে আমি ভীষণভাবে হতাশ হয়ে পড়ছি। দেবতা-দানব, সুর-অসুর সম্পর্কে সেসমস্ত প্রাচীন গল্প আজও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। তবে আরও একবার আমি নিশ্চিত হলাম যে, ভারতের সংস্কৃতি, মূল্যবোধ এবং সনাতনই একমাত্র উত্তর, যা এইমুহূর্তে খুঁজছে গোটা বিশ্ব।" শেষপাতে 'হরে কৃষ্ণ' নাম করে কঙ্গনা প্রশ্ন ছুড়লেন, "দেবতা না দানব, আপনি কোন পক্ষে?"
