চব্বিশের লোকসভা ভোটে জিতে সংসদে প্রথম দিন পা রাখার পরই পুরনো বন্ধুর হাতে হাত রেখেছিলেন কঙ্গনা রানাউত (Kangana Ranaut)। এমনকী তাঁকে বুকেও টেনে নেন চিরাগ পাসওয়ান (Chirag Paswan)। এরপর থেকে আরও জোরালো হয়েছে দু'জনের প্রেমের গুঞ্জন। কিন্তু এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন কঙ্গনা। সটান জানালেন. চিরাগ তাঁর স্রেফ ভালো বন্ধু। সেই সঙ্গেই তাঁর রসিকতা, ''রোম্যান্স হলে তো আমাদের বাচ্চাও হয়ে যেত এতদিনে।''
সংবাদ সংস্থা এএনআইকে এই প্রসঙ্গে কঙ্গনাকে বলতে শোনা গিয়েছে, ''না, না... চিরাগ আমার বন্ধু। ওকে দেখলেই আমার একজন বন্ধুর কথাই মনে পড়ে। আমাদের মধ্যে রোম্যান্টিক কোনও সম্পর্কই নেই। আমাদের পরিচয় তো অনেক দিনের... ঠিকঠাক বললে, ১০ বছর আগেই ও আমার সঙ্গে একটা সিনেমায় কাজ করেছিল। যদি রোম্যান্স থাকত, তাহলে তো এতদিনে আমাদের বাচ্চা হয়ে যেত।''
পরে তিনি আরও পরিষ্কার করে দেন, বহু বছরেও তাঁর ও চিরাগের সম্পর্ক একই রকম থেকে গিয়েছে। কঙ্গনা বলেছেন, ''যদি রোম্যান্স চাইতাম, তবে নিশ্চয়ই করতে পারতাম। জানেন, এই যে একটা বন্ধুত্বপূর্ণ আবহ... এটা এমন কারও কাছ থেকে পেলে ভালো লাগে যে আদপে আমারই ‘টাইপের’... মানে, ও-ও তো এক অর্থে চলচ্চিত্র জগতেরই মানুষ। তাই ওর সান্নিধ্যে আমার বেশ ভালোই লাগে।''
কঙ্গনাকে বলতে শোনা গিয়েছে, ''না, না... চিরাগ আমার বন্ধু। ওকে দেখলেই আমার একজন বন্ধুর কথাই মনে পড়ে। আমাদের মধ্যে রোম্যান্টিক কোনও সম্পর্কই নেই।''
উল্লেখ্য, তাঁকে ও চিরাগকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল ২০১১ সালের রোম্যান্টিক ড্রামা 'মিলে না মিলে হাম'-এ। সেটাই ছিল চিরাগের প্রথম ছবি। কঙ্গনা ছিলেন লিড অভিনেত্রী হিসেবে। আজ দু'জনেই রাজনীতির ময়দানে। দু'জনই সাংসদ। বিহারের হাজিপুর কেন্দ্র থেকে ৫৩ শতাংশ ভোট নিয়ে জয়ী হয়েছেন রামবিলাসপুত্র। লোক জনশক্তি পার্টির নেতা চিরাগ ৬ লক্ষের বেশি ভোটে জিতেছেন লোকসভা ভোটে। এদিকে মাণ্ডি লোকসভা কেন্দ্রে রাজনীতির ‘নেপোকিড’ বিক্রমাদিত্য সিংকে হারিয়ে জয়ী ক্যুইন কঙ্গনা রানাউত। বিজেপির টিকিটে ৫ লক্ষেরও বেশি ভোটে জিতে সাংসদ পদে বসেন হিমাচলের ভূমিকন্যা।
