২০১১ সালে অভিনয়ে অভিষেক কার্তিক আরিয়ানের (Kartik Aaryan)। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় বলিউডের বহু হিট ছবি দর্শককে উপহার দিয়েছেন। পনেরো বছরের বলিউড কেরিয়ারে চড়াই-উৎরাই সবটাই দেখেছেন। তবে ২০২৪-এ মুক্তিপ্রাপ্ত 'চন্দু চ্যাম্পিয়ন'-এ অভিনয় ছিল কার্তিকের কেরিয়ারের মোড় ঘোরানো অধ্যায়। এই ছবিতে অভিনয়ের সুবাদেই প্রথমবার সেরা অভিনেতা হিসেবে জিতে নিলেন জাতীয় পুরস্কার। ১৮ জুলাই, শনিবার সন্ধ্যায় ঘোষিত হল ৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের বিজয়ীদের নাম। সেই তালিকায় যুগ্মভাবে সেরা অভিনেতার সম্মান পেয়েছেন কার্তিক আরিয়ান ও দক্ষিণী অভিনেতা মাটুট্টি। অতঃপর, সোজা মহাকাল দর্শনে কার্তিক আরিয়ান।
অভিনেতা তাঁর সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে মহাকালেশ্বর মন্দির থেকে ছবি পোস্ট করেন। পরনে হালকা গোলাপি রঙের শার্ট। ভক্তিভরে প্রার্থনা করছেন জাতীয় পুরহস্কারজয়ী অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান। ইনস্টাগ্রামে ছবিটি পোস্ট করে লেখেন, 'জয় মহাকাল।' একইসঙ্গে সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে মহাকাল মন্দিরের ভিতরে কার্তিক আরিয়ানের পুজো দেওয়ার বেশ কিছু মুহূর্তও।
মহাকালেশ্বরে কার্তিক
ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া থেকে মহাকালের আশীর্বাদ গ্রহণ করেন পর্দার 'চন্দু চ্যাম্পিয়ন'। সিনেমার মতোই বাস্তবেও 'চ্যাম্পিয়ন' কার্তিক, তা বললে অত্যুক্তি হবে না। পোস্টটি শেয়ার করতেই অনুরাগীরা ভালোবাসায় ভরিয়ে দেন অভিনেতাকে। এক ভক্ত লিখেছেন, 'ঈশ্বর যেন আপনাকে সবসময় এভাবেই হাসিখুশি রাখেন এবং জীবনে আরও অনেক সাফল্য এনে দেন।'
জাতীয় পুরস্কার জিতে ভগবানের দরবারে কার্তিক
কার্তিকের এক অনুরাগীর আবেগঘন মন্তব্য, 'আপনি হয়তো কোনওদিন এই মন্তব্য পড়বেন না তবুও বলতে চাই আপনার জন্য আমি সত্যিই ভীষণ খুশি। আপনি এই আনন্দ, সাফল্য সবকিছুরই প্রাপ্য। এত বছরের কঠোর পরিশ্রমের ফল আজ আপনি পাচ্ছেন। আমি বিশ্বাস করি, আপনার জন্য আরও অনেক বড় সাফল্য অপেক্ষা করছে। সবসময় হাসিখুশি থাকুন, কারণ আপনি সত্যিই পৃথিবীর সব সুখ উপভোগের যোগ্য।'
জাতীয় পুরস্কার জয়ের পর কার্তিক নিজের এবং বাবা-মায়ের প্রতিক্রিয়ার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে লেখেন, 'এখনও যেন বিশ্বাসই করতে পারছি না। জীবনে কিছু মুহূর্ত থাকে যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। এটিও তেমনই একটি মুহূর্ত। বহু বছরের স্বপ্ন আজ সত্যি হল। চন্দু চ্যম্পিয়নের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা আর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব।'
