হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে যমে-মানুষের দড়ি টানাটানি শেষ। রবিবার সকাল ৯টা নাগাদ প্রয়াত বিখ্যাত সুরকার-গীতিকার অভিজিৎ মজুমদার। তাঁর প্রয়াণে ওড়িশার সঙ্গীত জগতে নেমেছে শোকের ছায়া।
জানা গিয়েছে, গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর, হাইপারটেনশন, হাইপো থাইরয়েড, ক্রনিক লিভারের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকরা জানান, কখনও তিনি চিকিৎসা সাড়া দেন। আবার কখনও কখনও তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতিও হয়। তবে অনুরাগীরা আশা করেছিলেন, হয়তো সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবেন শিল্পী। তবে শনিবার রাত থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে রাখা হয় তাঁকে।
১৯৯১ সালে ওড়িশার সঙ্গীত জগতে অভিষেক অভিজিৎ মজুমদারের। ২০০০ সাল থেকে একের পর এক গান, সুর পরিচিতি পেতে থাকে। সুরকার-গীতিকার হিসাবে পায়ের তলার মাটি ক্রমশ শক্ত হতে থাকে তাঁর। কমপক্ষে ৭০০-র বেশি গান লেখেন। 'লাভ স্টোরি', 'সিস্টার শ্রীদেবী', 'গোলমাল লাভ', 'মিস্টার মাজনু', 'শ্রীমান সুরদাস', 'সুন্দরগড় কা সলমন খান'-এর মতো একাধিক ছবিতে কাজ করেছেন। 'পগলু' ছবিতেও শেষ কাজ অভিজিৎ মজুমদারের। চলতি বছরেই ছবি মুক্তির কথা। এহেন শিল্পীর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বিনোদুনিয়া। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী X হ্যান্ডেলে শোকপ্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, "সিনেমা, সঙ্গীত, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিপুল ক্ষতি।" চোখের জলে ভাসছেন অনুরাগীরাও।
