shono
Advertisement
Seema Sajdeh-Sohail Khan

'বিয়ে ভাঙুক কোনও মহিলাই চান না', বিচ্ছেদ নিয়ে আচমকা আবেগপ্রবণ সোহেল খানের প্রাক্তন স্ত্রী!

২৪ বছরের সংসার ভেঙে যায় সীমা ও সোহেলের।
Published By: Sayani SenPosted: 10:21 AM Jan 25, 2026Updated: 10:21 AM Jan 25, 2026

প্রেম। ঘনিষ্ঠতা। ২৪ বছরের সংসার। আচমকা তাসের ঘরের মতো সব শেষ। বছর চারেক আগে জীবনের পথ আলাদা হয়ে গিয়েছে সোহেল খান এবং সীমা সচদেবের। সম্প্রতি এক চ্যাট শো বিচ্ছেদ নিয়ে আচমকা আবেগপ্রবণ সোহেলের প্রাক্তনী। বিয়ে ভাঙা নিয়ে আরও একবার মুখ খুললেন। বিচ্ছেদের পর জীবন কতটা বদলে গিয়েছে তাও জানালেন তিনি।

Advertisement

সীমা বলেন, "আমরা যখন বিয়ে করি তখন বয়স অনেক কম। আমি মাত্র ২২ বছরের। একসঙ্গে বড় হয়েছি। আমাদের মতামত বদলেছে। ভাবনাচিন্তা বদলেছে ধীরে ধীরে। বুঝতে পেরেছি দম্পতির থেকে অনেক বেশি ভালো বন্ধু আমরা।" তিনি আরও বলেন, "অনেক ভাবনাচিন্তা করে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। কোনও তাড়াহুড়ো করিনি। দু'জনে রোজ রোজ বাড়িতে ঝগড়াঝাটি করার চেয়ে শান্তির সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। আমরা বাড়ির পরিবেশ নষ্ট করতে চাইনি। আমাদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে বিচ্ছেদ হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত আমরা পরিবার। সোহেল আমার দুই সন্তানের বাবা। এটাও কখনও বদলাবে না।"

বিচ্ছেদের পরের সময়টা কতটা দুঃসহ যন্ত্রণায় কেটেছে, তাও জানান সীমা। বলেন, "জীবনের এই সময়টা কাটানো সহজ ছিল না। কোনও মহিলাই চান না বিচ্ছেদ হোক। আমি অবসাদে চলে গিয়েছিলাম। আমার সন্তানদেরও একই অবস্থা হয়েছিল। আমাদের এই সিদ্ধান্ত পৌঁছতে অনেকগুলো বছর লেগেছে। আমরা সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। বিশেষত আমাদের সন্তানদের কথা ভেবে।" এই সিদ্ধান্তের জন্য সোহেল, সীমা কেউ কাউকে দোষারোপ করতে চান না। তিনি বলেন, "এটা ঠিক নয়। একটা সম্পর্কে দু'টি মানুষ ছিলেন। সম্পর্ক সোজা পথে না চলার জন্য দু'জনেই দায়ী। কারও একার দায় নয়। আমার এই সিদ্ধান্তকে সহজভাবে নিইনি। আমরা সন্তানদের কথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা বিয়ে করেছি খুব অল্প বয়সে। এটা কারও দোষ হতে পারে না।"

বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত যেন সীমার কাছে ছিল বড় চ্যালেঞ্জের মতো। এই প্রসঙ্গে সোহেলের প্রাক্তন ঘরনির দাবি, "আমি একা হয়ে যাওয়ার ভয় পেতাম। আমি জানতাম না কীভাবে মোবাইলের বিল দিতে হয়। কীভাবে ব্যাঙ্কের কাজ সামলাতে হয়। আগে আমার বাবা সবকিছু দেখতেন। বিয়ের পর থেকে সোহেলই দেখভাল করত। হঠাৎ জীবনবিমা, স্বাস্থ্যবিমা সব কিছুর দেখভাল করতে শুরু করলাম। আমি এখন ব্যবসার দিকে বেশি খেয়াল রাখি। নিজের বিল নিজে মেটাই। সন্তানদের দেখভালও করি। বিচ্ছেদ আমাকে সময়ানুবর্তিতা শিখিয়েছে। এখন আমরা সন্তানদের সঙ্গে সমান সময় কাটাই।" বলে রাখা ভালো, এই মুহূর্তে ছোটবেলার বন্ধু বিক্রম আহুজার সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন সীমা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement