shono
Advertisement
Indiara dhar Wedding

কান থেকে ফিরেই সিঁদুরে রাঙা অস্কার মনোনীত 'পুতুল'-এর পরিচালক, সায়নের সঙ্গে বিয়েতে খুশি ইন্দিরার ছেলে?

২০২৩-এ প্রাক্তন স্বামী স্নিগ্ধর সঙ্গে বিবাহবাচ্ছেদের তিন বছর পর আরও একবার সিঁদুরে রাঙা হলেন বাঙালি পরিচালক ইন্দিরা ধর। তাঁর ছবির প্রতিটি সঙ্গীতের নেপথ্যে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য তিনিই বর্তমানে ইন্দিরার স্বামী, সায়ন গঙ্গোপাধ্যায়।
Published By: Kasturi KunduPosted: 03:14 PM Jun 01, 2026Updated: 03:47 PM Jun 01, 2026

অতীত যন্ত্রণা ভুলে জীবনের আরও এক নতুন অধ্যায় শুরু করলেন অস্কার মনোনীত 'পুতুল' ছবির পরিচালক ইন্দিরা ধর। চলতি বছরে আন্তর্জাতিক কান চলচ্চিত্র উৎসবে ছিল তাঁর ‘হ্যাটট্রিক ইয়ার’। কেরিয়ারের সাফল্য যখন মধ্যগগনে ঠিক সেই সময়ই দ্বিতীয়বার বৈবাহিকবন্ধনে বাঁধা পড়লেন ইন্দিরা। ২০২৩-এ প্রাক্তন স্বামী স্নিগ্ধর সঙ্গে বিবাহবাচ্ছেদের তিন বছর পর আরও একবার সিঁদুরে রাঙা হলেন এই বাঙালি পরিচালক। তাঁর ছবির প্রতিটি সঙ্গীতের নেপথ্যে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য তিনিই বর্তমানে ইন্দিরার স্বামী, সায়ন গঙ্গোপাধ্যায়। ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই চার হাত এক হয়েছে সায়ন-ইন্দিরার। জীবনের এই বিশেষ মুহূর্ত উদযাপনের সঙ্গী ইন্দিরার একমাত্র ছেলে কবীর।

Advertisement

মায়ের বিয়েতে অস্বস্তি নাকি খুশি? সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালকে ইন্দিরা বলেন, "ওর জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সায়নকে ও বাবার মতোই ভালোবাসে। আসলে ওঁর থেকে কবীর যে স্নেহ পায় সেটা একদম পিতৃতুল্য।" কান থেকে ফিরেই বিয়ের সিদ্ধান্ত? ফোনের ওপারে মৃদু হেসে ইন্দিরার সংযোজন, "না না, আসলে আমরা বিয়েটা একমাস করে ফেলেছি। কান চলচ্চিত্র উৎসবের মাঝে বিষয়টা প্রকাশ্যে আসুক সেটা চাইনি। ব্যক্তিগতজীবন কাজের দুনিয়াকে কোনওভাবে প্রভাবিত করুক সেটা আমি বা সায়ন কেউই চাই না। তাই আজ আমরা বিয়ের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করলাম। কোনওদিন ভাবিনি জীবনকে আবার সুযোগ দেব।"

ইন্দিরা বলেন, "আমি আর সায়ন দুজনে ভিন্ন মেরুর মানুষ কিন্তু, কিছু ক্ষেত্রে আমাদের অনেক বিষয়ে মতের মিল রয়েছে। আমরা দুজনেই ভীষণ ফ্যামিলি ওরিয়েন্টেড। এটাই হয়ত আজ আমাদের এক ছাদের তলায় থাকার সুযোগ করে দিল। সবচেয়ে বড় বিষয় আমাদের ছেলে কবীর খুব খুশি।"

কাজের সূত্রেই আলাপ সায়ন আর ইন্দিরার। বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, তারপর বিয়ের সিদ্ধান্ত। তবে কেউই প্রেমকে খুব একটা ফলাও করে দেখাতে চাননি। আসলে দুজনেই জীবনে অনেক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন, কারও বিবাহিতজীবনই সুখের নয়। তবুও তাঁরা কেউই প্রাক্তন সম্পর্কে কটূক্তি বা আপত্তিকর মন্তব্যের বিপক্ষে। বরং সৃজনশীল সম্পর্ক বজায় রাখাই দুজনের কাছে রুচিশীল মানসিকতার পরিচয়। এই বিষয়টিকে সামনে রেখে ইন্দিরার সংযোজন, "বিয়ের উপর আমার বিশ্বাস উঠে গিয়েছিল এমনটা নয়, তবে অতীতের অভিজ্ঞতা খুবই তিক্ত। কিন্তু, সায়ন আমার জীবনে ভগবানের দূত হয়ে এসেছে। আমরা কেউই অতীত নিয়ে কোনওদিন কাদা ছোড়াছুড়ি করব না। কারণ আমরা দুজনেই সম্ভ্রান্ত পরিবারের সদস্য।" 

সায়নের প্রশংসায় মুখরতি ইন্দিরার বক্তব্য, "ও না থাকলে আমি এই সাফল্যের সিঁড়ি চড়তে পারতাম না। ওঁর সাপোর্ট ছাড়া আমি শূন্য, আমার সাফল্যের চাবিকাঠ সায়ন। আজ আমার জীবন আরও একবার আনন্দ-খুশিতে পরিপূর্ণ। আমি আর সায়ন দুজনে ভিন্ন মেরুর মানুষ কিন্তু, কিছু ক্ষেত্রে আমাদের অনেক বিষয়ে মতের মিল রয়েছে। আমরা দুজনেই ভীষণ ফ্যামিলি ওরিয়েন্টেড। এটাই হয়ত আজ আমাদের এক ছাদের তলায় থাকার সুযোগ করে দিল। সবচেয়ে বড় বিষয় আমাদের ছেলে কবীর খুব খুশি।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার