সঞ্জয় কাপুরের ৩০ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি ঘিরে স্ত্রী প্রিয়া সচদেবের সঙ্গে পারিবারিক অন্তর্কলহ পেজ ৩র চর্চিত টপিক। শাশুড়ি মা রানি কাপুর প্রকাশ্যে পুত্রবধূর উপর তোপ দেগেছেন। সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক অশান্তির জল গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। এই ঝামেলার অবিচ্ছেদ্য অংশ সঞ্জয়ের প্রাক্তন স্ত্রী করিশ্মা কাপুর ও তাঁর দুই সন্তান। সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ যখন চরমে তখন সোশাল মিডিয়ায় সঞ্জয়কে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট প্রিয়ার।
বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিয়ের ছবির সঙ্গে সপ্তম বিবাহবার্ষিকীতে সঞ্জয়ের হাতে লেখা একটি চিঠি শেয়ার করে আবেগী কাপুর ঘরনি। সঞ্জয়ের মৃত্যুর পর অনেকদিন কেটে গিয়েছে। তবুও প্রিয়ার অন্তরের বিশ্বাস, সঞ্জয় সাত জন্ম একসঙ্গে থাকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সেটা নিশ্চয়ই পালন করবেন।
২০১৭-এর ১৩ এপ্রিল, করিশ্মার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর প্রিয়া সচদেবের সঙ্গে জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রেখেছিলেন সঞ্জয় কাপুর। কাগজ-কলমের হিসেবে অনুযায়ী চলতি বছর দাম্পত্যের নয় বছর পূর্তি। দীার্ঘ আট বছর জীবনের এই বিশেষ দিনটা একসঙ্গে কাটিয়েছেন সেলেব দম্পতি। স্বামীর মৃত্যুর পর প্রথমবার 'সঞ্জয়হীন' প্রিয়া।
সমাজমাধ্যমে বিয়ের বেশ কয়েকটি ছবি শেয়ার করে আবেগঘন পোস্টে প্রিয়া লেখেন, 'শুভ বিবাহবার্ষিকী, জে। গতবছর আমরা অষ্টম বিবাহবার্ষিকী তোমার ডসকো বন্ধুদের সঙ্গে ধুমধাম করে পালন করেছিলাম। মার দিকে তাকিয়ে সেদিন তুমি বলেছিলেন, আমরা এভাবেই সাত জন্ম একসঙ্গে থাকব। তোমার সেই প্রতিশ্রুতিকেই সঙ্গী করে আমি বেঁচে আছি।'
জীবনের এই বিশেষ দিনে তঁদের সপ্তাম বিবাহবার্ষিকীতে সঞ্জয়ের হাতে লেখা একটি চিঠিও শেয়ার করেছেন। এই চিঠিটা প্রিয়ার জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, কেন আজও এই ছোট্ট জিনিসটাকে আগলে রেখেছেন সেই ব্যখাও দিয়েছেন প্রিয়া। সঞ্জয় শুধু স্বামীই ছিলেন না, বরং তাঁরা ছিলেন প্রকৃত বন্ধু।
তাই জীবনের এই বিশেষ দিনে ভারাক্রান্ত মনে প্রিয়া লিখছেন, 'আমি তোমার বলা প্রতিটা শব্দ আমার সঙ্গে প্রতি মুহূর্ত বহন করছি। সবসময় তোমার সঙ্গে আছি। তুমি ছিলে আমার নিরাপদ আশ্রয়। তোমার মধ্যেই আমি সুখ খুঁজে পেতাম, ঘরে ফেরার শান্তি অনুভব করতাম। তোমাকে ভালোবাসাটা আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর উপহার।'
পোস্টের শেষে প্রিয়ার সংযোজন, 'তুমি অতীত নয়, আমার ভালোবাসা। আমার ভবিষ্যত তোমার জন্য অপেক্ষা করছে। আমাদের গল্প শেষ হয়নি। শুভ বিবাহবার্ষিকী, আমার চিরদিনের ভালোবাসা। তোমায়-আমায় মিলে 'আমাদের' যে শব্দবন্ধনী তুমি তৈরি করেছিলে, একসঙ্গে পথচলা তো সবে শুরু। সাত বছরের বিবাহবার্ষিকী, সাত জন্মের বন্ধন। আমি যদি আবার পুরনো জীবনে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেতাম তাহলে পুনরায় সেই ভুল করতেও রাজি। তাহলে যদি তুমি আমার কাছে আবার ফিরে আসো।'
