রণবীর সিংয়ের কেরিয়ারের বৃহস্পতি তুঙ্গে তা বলাই বাহুল্য। হামজা আলি মাজারের ভূমিকায় 'ধুরন্ধর' রণবীরে মজে সিনেপ্রেমীরা। বক্স অফিসে একের পর এক রেকর্ড গড়ে কেরিয়ারে নতুন মাইলস্টোন গড়েছেন 'বেফিকরে' রণবীর সিং। এর মাঝেই ভক্তদের জন্য এসে গেল আরও এক সুখবর। হামজা চরিত্রে ঝড় তোলার পর এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন অবতারে বড় পর্দায় নিজেকে মেলে ধরবেন রণবীর। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের কানাঘুষো, 'হামজা' রণবীর এবার মহাদেবের অবতারে দর্শকের দরবারে ধরা দেবেন। ভারতীয় গুপ্তচরের পর পৌরাণিক গল্পে 'লাক ট্রাই' ?
শোনা যাচ্ছে, বিশিষ্ট লেখক আমিষ ত্রিপাঠীর অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস শিব ট্রিলজি অবলম্বনে তৈরি হবে সিনেমার গল্প। উল্লেখ্য, সিরিজটি 'দ্য ইমমর্টাল অফ মেলুহা' নামেও পরিচিত। বলিউডের এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রণবীর তাঁর প্রযোজনা সংস্থা 'মা কসম ফিল্ম' 'দ্য ইমমর্টাল অফ মেলুহা'র স্বত্ব কিনে নিয়েছে। মেলুহা রাজ্য উত্থানের নেপথ্যে হিমালয়ের এক যোদ্ধার গল্পই রয়েছে আমিষ ত্রিপাঠীর শিব ট্রিলজিতে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, রণবীর সিং 'বিরলা স্টুডিও'র সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। তিনটি পৌরাণিক কাহিনিকে 'লার্জার দ্যান লাইফ'-এর আকারে দর্শকের দরবারে পরিবেশন করাই মূল লক্ষ্য রণবীরের।
সিন্ধু সভ্যতাকে ‘মেলুহা’ হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে এবং শিবকে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। যিনি পরবর্তীতে ‘নীলকণ্ঠ’হিসেবে ভক্তের মনে বিরাজমান। ট্রিলজির পরবর্তী দুটি ভাগ, 'দ্য সিক্রেট অফ দ্য নাগাস' ও 'দ্য ওথ অফ দ্য বায়ুপুত্রাস'।
সূত্রের দাবি, রণবীর দীর্ঘদিন ধরেই মেলুহাকে বড় পর্দায় উপস্থাপনের জন্য খুবই আগ্রহী। সম্প্রতি স্বত্ব অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং এখন আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রজেক্টের কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। নির্মাতারা এটিকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হিসেবে গুরুত্ব দিতে চাইছেন। তিনটি ছবির মাধ্যমে গল্প পরিবেশন করা হবে। সম্ভবত ২০২৮ সালে শুরু হবে প্রথম ভাগের শুটিং। যতদূর জানা যাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত পরিচালক নির্বাচন করা হয়নি। সূত্র জানিয়েছে, স্ক্রিপ্টের কাজ একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে পৌঁছনোর পরই পরিচালক চূড়ান্ত করা হবে। আপাতত সম্পূর্ণ ফোকাস গল্প ও চিত্রনাট্য তৈরির উপর।
মহাদেবের অবতারে রণবীর!
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে প্রকাশিত হয় 'দ্য ইমমর্টাল অফ মেলুহা' যা শিব ট্রিলজির প্রথম ভাগ। তিনটি উপন্যাসে উল্লেখ রয়েছে কীভাবে হিমালয়ের এক সাধারণ যোদ্ধা শিব প্রাচীন মেলুহা রাজ্যে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে দেবতুল্যর মর্যাদা লাভ করেন। পৌরাণিক কাহিনির সঙ্গে ইতিহাস এবং বাস্তবতার সংযোগ রয়েছে এই বইগুলিতে।
উপন্যাস অবলম্বনে...
সিন্ধু সভ্যতাকে ‘মেলুহা’ হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে এবং শিবকে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। যিনি পরবর্তীতে ‘নীলকণ্ঠ’হিসেবে ভক্তের মনে বিরাজমান। ট্রিলজির পরবর্তী দুটি ভাগ, 'দ্য সিক্রেট অফ দ্য নাগাস' ও 'দ্য ওথ অফ দ্য বায়ুপুত্রাস'।
