সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৭১ তম জাতীয় পুরস্কারের তালিকায় 'দ্য কেরালা স্টোরি'। আর তা নিয়ে চলছে জোর কাটাছেঁড়া। কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন খোদ এই ছবির জাতীয় পুরস্কার জয় নিয়ে আপত্তি তুলেছেন। সোশাল মিডিয়া পোস্টে গর্জে উঠেছেন। তাঁকে আবার সমর্থন করেছেন কংগ্রেস নেতা কেসি বেণুগোপাল। এই আবহে এবার মুখ খুললেন পরিচালক সুদীপ্ত সেন। কেরলের মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ বার্তাও দেন তিনি।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে পরিচালক সুদীপ্ত সেন বলেন, "১০-১২ বছর ধরে আমি, আমার টিম এটা নিয়ে কাজ করেছি। আমরা বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এই ছবি নিয়ে কাজ করেছি। অবশেষে আমরা পেরেছি ছবিটি তৈরি করতে। ২০২৩ সালে ছবিটি মুক্তি পায়। বক্স অফিসের রিপোর্ট বলছেন, ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে ৫ কোটির বেশি দর্শক দেখেছেন। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখেছেন ২০ কোটিরও বেশি মানুষ। লাখ লাখ ভারতীয় এবং বিদেশের মাটিতেও ছবিটি প্রশংসা কুড়িয়েছে। আমরা মানুষের কাছ থেকে আগেই পুরস্কার পেয়ে গিয়েছি। কিন্তু সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি জাতীয় পুরস্কার। আর তা পাওয়া স্বাভাবিকভাবে অনুভূতি বেশ অন্যরকম।"
কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে তোপ দেগে পরিচালক আরও বলেন, "উনি বর্ষীয়ান রাজনীতিক। আমি রাজনীতিক নই। আমি তাই তাঁর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু বলতে চাই না। আমি শুধু জানি কঠোর পরিশ্রম করে কাজ করতে। আমি ও আমার টিম ১০-১২ বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করেছে। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি আমার ছবিতে ব্যবহৃত প্রতিটি কথা ও ছবি সত্য। টানা ২ মাস স্ক্রুটিনির পর আমার ছবি সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে। একটি দৃশ্যেও কাঁচি চালাতে পারেননি কেউ। হাজার বিদ্রুপ, বিতর্ক হোক না কেন, আমি মনে করি বিচার একেবারেই ঠিক হয়েছে।" এরপর কেরলের মুখ্যমন্ত্রীকে পরিচালকের পরামর্শ, "আগে ছবিটি দেখুন। তারপর মন্তব্য করবেন।" উল্লেখ্য, ‘দ্য কেরালা স্টোরি’কে যাঁরা পুরস্কৃত করেছেন, তাঁরা নিশ্চিতভাবে সংঘ পরিবারকে খুশি করতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সোশাল মিডিয়ায় দাবি করেন বিজয়ন। আর তারপর থেকেই চলছে জোর আলোচনা।
