রশ্মিকা ও বিজয়ের বিয়ে নিয়ে বিনোদুনিয়া জুড়ে চলছে জোর চর্চা। উদয়পুরে দুই মহাতারকার গাঁটছড়া বাঁধার খবরে নজর সকলের। বৃহস্পতিবারই চারহাত এক হয়েছে। কিন্তু সেই বিয়েতে পাপারাজ্জিদের প্রবেশে ছিল কড়া নিষেধাজ্ঞা। অবশেষে শুক্রবার যুগলে দেখা দিলেন সংবাদমাধ্যমের সামনে। ছুড়লেন চুমু। সেই সঙ্গে দুই হাত জড়ো করে গ্রহণ করলেন অভিবাদনও।
বিয়ের অনুষ্ঠানশেষে নবদম্পতি হায়দরাবাদ ফিরছিলেন। সেই উদ্দেশে তাঁরা হাজির হন বিমানবন্দরে। আর সেখানেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন তাঁরা। দু'জনের শরীরী ভাষায় ছিল সদ্য বিবাহিতের খুশির ঢেউ। সেই ভিডিও ও ছবি নেট ভুবনে ছড়িয়ে পড়েছে। নেটিজেনরা উচ্ছ্বসিত বিরোশকে দেখে।
দক্ষিণ ভারতীয় হলেও বিজয় ও রশ্মিকা দুই ভিন্ন রাজ্যের। তাই দুই রাজ্যের নিয়মরীতি অনুযায়ীই বিয়ে সারেন তাঁরা। প্রথমে বিজয়ের পরিবারের তেলুগু নিয়মে হয় বিয়ের অনুষ্ঠান। তারপর রশ্মিকার পরিবারের নিয়ম মেনে কোডাভা অর্থাৎ কর্ণাটকের বিয়ের রীতি অনুযায়ী আরও একবার বিয়ে সারেন তাঁরা। বিয়ের অনুষ্ঠানের তিন দিন আগেই উদয়পুরে পৌঁছে যান জুটি। গায়ে হলুদ থেকে সঙ্গীত ও মেহেন্দি সেরেছেন তাঁরা সেখানেই। এখানেই শেষ নয়, বিজয়ের জন্য নিজের ছবি ‘পুষ্পা’র জনপ্রিয় গান ‘আঙ্গারো’-এ পারফর্মও করেছেন রশ্মিকা।
উল্লেখ্য, তারকা যুগলের বিয়ের মেনুতে ছিল খাঁটি দক্ষিণী খাবারের আয়োজন। ওয়েলকাম ড্রিংকে ছিল নারকেল জল। ভূরিভোজে ছিল তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও কর্নাটকের নানা সুস্বাদু খাবার। হায়দরাবাদি দম বিরিয়ানি, মুরগির মাংসের বিশেষ পদ নাটু কোডি পুলুস, গারেলু বা মেডু বড়া, পাপ্পু যা মূলত দক্ষিণ ভারতীয় স্বাদের এক ধরনের ডাল এবং অবশ্যই কিমা সামোসা। এখানেই শেষ নয়, রশ্মিকা যেহেতু কর্নাটকের মেয়ে তাই কুর্গ অর্থাৎ কোডাগু ছোঁয়ায় কদম্বুটু ও পান্ডি কারি ও শেষ পাতে মাইশোর পাকের মতো মিষ্টি। তাঁদের বিয়ের অনুষ্ঠানে বিশেষ আমন্ত্রিত খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারকা যুগলকে বিয়ের আগে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী।
