ওয়াশিংটন সুন্দর চোট পেয়ে ছিটকে যাওয়ার পর ঢাকঢোল পিটিয়ে দলে নেওয়া হল গৌতম গম্ভীরের 'স্নেহধন্য' আয়ুষ বাদোনিকে। তাঁকে দলে নেওয়ার ব্যাপারে যুক্তি ছিল, স্পিনিং অলরাউন্ডারের বদলে স্পিনিং অলরাউন্ডারকে দলে নেওয়া হয়েছে। অথচ রাজকোটে আয়ুষের জায়গায় সুযোগ পেলেন ব্যাটিং অলরাউন্ডার নীতীশ কুমার রেড্ডি (Nitish Kumar Reddy)। যিনি ডাহা ফেল। তাঁকে এবার কড়া সমালোচনায় বিঁধলেন ভারতের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে। অনেকেই মনে করছেন, ২২ বছরের ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনে কার্যত ছাঁটাইয়ের ইঙ্গিত দিলেন তিনি।
নীতীশকে নিয়ে দুশখাতে বলছেন, "আমরা প্রায়ই ওর উন্নতি করা এবং ম্যাচ খেলার সময় দেওয়া নিয়ে কথা বলি। সমস্যা হল, ওকে ম্যাচ খেলানো হলেও সেভাবে পরিশ্রম করতে পারে না। বিশেষ কিছুই করতে পারছে না। যে দলে জায়গা তৈরি করে নেওয়ার চেষ্টা করছে, তাকে আরও পরিশ্রম করতে হবে। আজ ব্যাট হাতে দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ও। সহজেই ১৫ ওভার খেলতে পারত। ধারাবাহিকভাবে খেলতে গেলে সুযোগগুলো তো কাজে লাগাতেই হবে।" উল্লেখ্য, দ্বিতীয় ওয়ানডে'তে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি নীতীশ। ব্যাট হাতে ২০ রান করেন। মাত্র ২ ওভারের বেশি বোলিং করতে পারেননি।
প্রশ্ন হল, কেন অলরাউন্ডার হিসাবে খেলিয়েও নীতীশকে দু'ওভারের বেশি বল দেওয়া হল না? আর টিম ইন্ডিয়ার সহকারী কোচ যদি এতটাই নিশ্চিত হন যে, নীতীশ পরিশ্রম করতে পারে না, তাহলে তাঁকে দলে নেওয়াই বা হল কেন? তবে কেবল নীতীশ নন। ওয়ানডে'তে লাগাতার ব্যর্থ হচ্ছেন রবীন্দ্র জাদেজাও। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দু'টি ম্যাচে তাঁর রান সংখ্যা ৪ এবং ২৭। তার আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দু'টি ইনিংসে তিনি করেছিলেন ৩২ এবং ২৪*। ওয়ানডে'তে তিনি শেষবার হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে বল হাতেও তাঁর পারফরম্যান্স আহামরি নয়। কিউয়িদের বিরুদ্ধে দু'টি ম্যাচে এখনও উইকেট শূন্য তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন ইনিংসে পেয়েছিলেন মাত্র ১টি উইকেট। যদিও জাদেজাকে নিয়ে বিশেষ চিন্তিত নন দুশখাতে।
"আমার মনে হয় না ও বিশেষ চিন্তিত। ওর পরিসংখ্যান খুব ভালো। এখন সেভাবে উইকেট পাচ্ছে না। কিন্তু এটা নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই। ওকে আমরা বলের গতি নিয়ে পরিশ্রম করতে বলেছিলাম। আগের চেয়ে ভালো বল করছে। উইকেট পাওয়া সময়ের অপেক্ষা।" বলে দিচ্ছেন টিম ইন্ডিয়ার সহকারী কোচ।
