কেউ ব্যস্ত স্থানীয় ক্রিকেটে ক্লাবের ম্যাচে। কেউ আবার এখনও শহরে ফেরেননি। ফলে সিনিয়র স্কোয়াডের জনা কয়েক সদস্যকে নিয়েই রনজি ট্রফির অনুশীলনে ফিরল বাংলা। সল্টলেকে জেইউ সেকেন্ড ক্যাম্পাসে সবমিলিয়ে ঘণ্টা দুয়েক নেটে ব্যাটিং-বোলিং করেছেন কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লার ছাত্ররা।
২২ জানুয়ারি থেকে সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে ফের রনজি অভিযানে নামছে বাংলা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ইডেন নিয়ে নিয়েছে আইসিসি। তাই ম্যাচ হবে কল্যাণীতে। দল লাল বলে শেষ ম্যাচ খেলেছে নভেম্বরের মাঝে, কল্যাণীতে অসমের বিরুদ্ধে। তারপর প্রথমে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-টোয়েন্টি এবং তারপর বিজয় হাজারে ট্রফি খেলেছে দল। সাদা বলের দুই ফরম্যাটে ব্যর্থতা সঙ্গী হয়েছে বাংলার। তাই এবার রনজিতে ফোকাস করছে দল। পাঁচ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে রয়েছে বাংলা। তবে পরের দু'টো ম্যাচে যাদের বিরুদ্ধে খেলতে হবে, সেই সার্ভিসেস এবং হরিয়ানা গ্রুপে রয়েছে যথাক্রমে দুই ও তিন নম্বরে। ফলে নকআউটের টিকিট নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জটা বেশ কঠিন বাংলার জন্য।
তাই ফের লাল বলে মানিয়ে নিতে একটু আগে থেকেই দলকে অনুশীলনে ডেকে নিয়েছেন কোচ লক্ষ্মীরতন। যদিও ক্লাব ক্রিকেটে ম্যাচ থাকায় সুদীপ ঘরামী, সূরজ সিন্ধু জয়সওয়ালরা অনুশীলনে আসতে পারেননি। আবার শাহবাজ আহমেদ, আকাশ দীপরা এখনও শহরে ফেরেননি। তাঁরা দ্রুতই দলের সঙ্গে যোগ দেবেন বলে বঙ্গ শিবির সূত্রে খবর। প্রথম দিনের অনুশীলনে ছিলেন সিনিয়র স্কোয়াডে থাকা অনুষ্টুপ মজুমদার, সুমন্ত গুপ্ত, মুকেশ কুমার, শাকির হাবিব গান্ধী, রাহুল প্রসাদ, সুদীপ চট্টোপাধ্যায়। এছাড়া বিজয় হাজারের দলে ডাক পাওয়া অনূর্ধ্ব ২৩ দলের রবি কুমার, সুমিত নাগ, রোহিত, চন্দ্রহাস দাসরাও অনুশীলন করেন সিনিয়রদের সঙ্গে। চোটের জন্য এই মরশুমে এখনও রনজি খেলেননি মুকেশ। অনুশীলনের শুরুতে দীর্ঘক্ষণ বোলিং করার পর কিছুক্ষণ ব্যাটিংও করেন তিনি।
দলীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার থেকে ক্লাব ক্রিকেটে আরও একটা রাউন্ড শুরু হতে চলেছে। ব্যাটারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ক্লাবের ম্যাচ থাকলে খেলার জন্য। তবে বোলার এবং শাকিরকে খেলতে বারণ করা হয়েছে। অভিষেক পোড়েলের চোট থাকায় রনজিতে উইকেটকিপার-ব্যাটার হিসেবে শাকিরের খেলার সম্ভাবনা প্রবল। অনুশীলনে তাঁর উপর বাড়তি নজরও ছিল কোচ লক্ষ্মীরতনের। নেটে একাধিকবার শাকিরের ভুলভ্রান্তি শুধরে দিতে দেখা যায় বাংলা কোচকে।
