গতবছর জুলাই মাসে বাংলাদেশের মাটিতে ভারতের সিরিজ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফরে আর যায়নি ভারত। তবে আগের সরকারের আমলে যেভাবে ভারতকে ‘বয়কটের’ নীতি নিয়েছিল, সেখান থেকে সরে আসছে তারেক রহমান সরকার। এবছর সেপ্টেম্বর ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলতে মরিয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এই অবস্থায় বিসিসিআই কী ভাবছে? সেই বিষয়ে মুখ খুললেন বোর্ড সচিব দেবজিৎ সইকিয়া।
২০২৫-র জুলাই মাসে বাংলাদেশ সফরে যাওয়ার কথা ছিল ভারতের। কিন্তু সেই সফরে আর যায়নি টিম ইন্ডিয়া। বাংলাদেশের অশান্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সে দেশের অন্তর্বর্তীকালীন শাসকদের তীব্র ভারত-বিরোধিতা যার নেপথ্যে একটা বড়সড় ভূমিকা রেখেছিল বলে মনে করা হয়। এবছরের সেপ্টেম্বরে টিম তিনটে ওয়ানডে এবং তিনটে টি-টোয়েন্টি ভারতের বিরুদ্ধে হওয়ার কথা। বাংলাদেশ সরকার ভারতকে অভ্যর্থনা জানাতে তৈরি। কিন্তু বিসিসিআই কি ভাবছে?
বোর্ড সচিব দেবজিৎ সইকিয়া বলেন, "আপাতত আইপিএল উপভোগ করুন। আমাদের সামনে ঠাসা সূচি রয়েছে। আইপিএলের পর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ আছে। তারপর ইংল্যান্ডে যাবে। সেসব মিটলে অন্য সিরিজ নিয়ে ভাবা যাবে।" আইপিএল শেষ ৩১ মে। তারপর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে আছে। জুনের শেষ সপ্তাহ থেকে আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাদা বলের সিরিজ। তারপর জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। সব শেষ হবে জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে। তারপর সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শেষ সিরিজ। মাঝে ফাঁকা সময় আগস্ট-সেপ্টেম্বর।
ইতিমধ্যেই সেই স্থগিত সিরিজটি ফের আয়োজনে করতে চেয়ে বিসিসিআইকে চিঠি দিয়েছে বিসিবি। তামিম ইকবাল বাংলাদেশ ক্রিকেটের অ্যাড হক কমিটির মাথায় বসার পর আরও তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সেটা আর্থিকভাবে বিসিবির জন্য জরুরি। ২০২৭-এ এশিয়া কাপ হওয়ার কথা বাংলাদেশে। সেখানে ভারত না গেলে বিপাকে পড়বে বিসিবি। অর্থাৎ সেই টুর্নামেন্ট আয়োজনের অঙ্কও মাথায় রাখছে তারা। ইতিমধ্যে ভারতকে স্বাগত জানানোর জন্য আয়ারল্যান্ড সফরও বাতিল করেছে বাংলাদেশ বোর্ড।
