'পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা'র মতো করেই টি-২০ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে স্কটল্যান্ড। একেবারে শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপ খেলতে ডাকা হয়েছে তাদের। তড়িঘড়ি দলও ঘোষণা করেছে স্কটল্যান্ড। কিন্তু তার মধ্যে প্রশ্ন উঠছে, দলের ক্রিকেটাররা প্রত্যেকে ভিসা পাবেন তো? কারণ স্কটিশদের স্কোয়াডে রয়েছেন পাক বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার সাফিয়ান শরিফ। আসন্ন বিশ্বকাপে পাক বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের ভিসা পেতে যথেষ্ট ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
সবমিলিয়ে ৪২ জন পাক বংশোদ্ভূত ভারতে পা রাখবেন বিশ্বকাপ উপলক্ষে। কেউ ক্রিকেটার আবার কেউ বা সাপোর্ট স্টাফ। প্রাথমিকভাবে তাঁদের সকলেরই ভিসা পেতে সমস্যা হয়েছিল। ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ, রেহান আহমেদ, সাকিব মাহমুদদের ভিসা আবেদন আটকে যায়। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মার্কিন তারকা আলি খান দাবি করেন, তাঁকে এবং তাঁর চার সতীর্থকে বিশ্বকাপে খেলতে আসার ভিসা দিচ্ছে না ভারত। তিন ক্রিকেটার সায়ান জাহাঙ্গির, মহম্মদ মহসিন এবং এহসান আদিলকেও ভিসা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ আনেন আলি।
সূত্রের খবর, ভিসা সমস্যা নিয়ে উদ্যোগী হয়েছে আইসিসি নিজেই। বিভিন্ন দেশের ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। নথির কারণে কোনও ক্রিকেটারের ভিসা যাতে আটকে না যায়, সেসব খতিয়ে দেখতেও অনুরোধ জানিয়েছে আইসিসি। শেষ পর্যন্ত ৪২ জন পাক বংশোদ্ভূতের ভিসা মঞ্জুর হয়েছে বলে খবর। কিন্তু সেসময়ে তো স্কটল্যান্ড বিশ্বকাপে সুযোগ পায়নি। একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে তারা বিশ্বকাপে নামছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, তাদের ক্রিকেটারকেও কি ভিসা ভোগান্তি পোহাতে হবে?
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নামতে হবে স্কটল্যান্ডকে। তার আগে সাফিয়ান ভিসা পাবেন? সেই প্রশ্নের জবাবে স্কটিশ বোর্ডের প্রধান ট্রুডি লিন্ডব্লেড বলেন, "আমরা আইসিসির সঙ্গে এই নিয়ে আলোচনা করছি যেন দ্রুত ভিসা মেলে। গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে ভিসার কাজ একেবারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে। তবে ভিসা পাওয়া নিয়ে সবসময়েই অনিশ্চয়তা থাকে।" স্কটিশ বোর্ডের আরেক কর্তা স্টিভ স্নেলের কথায়, স্কটল্যান্ডকে আমন্ত্রণ জানিয়ে তাদের ক্রিকেটারকে যদি ভারতে ঢুকতে দেওয়া না হয়, সেটা দেখতে মোটেই ভালো লাগে না।
