বিশ্বমঞ্চে সাফল্যের মুকুট জয় শাহের মাথায়। বিশ্ব ইকোনমিক ফোরাম দ্বারা নির্বাচিত 'ইয়ং গ্লোবাল লিডার্সে'র তালিকায় নাম আছে আইসিসি প্রধানের। ক্রিকেটের উন্নতি ও বৈশ্বিক করে তোলার জন্য তাঁর প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব ইকোনমিক ফোরাম। মূলত ৪০ বছরের কম বয়সিদের যাঁরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিভাশালী নেতা এবং বিশ্বের ভবিষ্যৎ নির্মাণে তাঁদের কাজকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য এই তালিকা তৈরি করা হয়।
এবছর ৫৫টি দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে প্রতিনিধি নির্বাচন করা হয়েছে। ২০২৪ সালে জয় শাহ (Jay Shah) আইসিসি চেয়ারম্যান হন। তার আগে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব ছিলেন। আইসিসি'র দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ক্রিকেটের উন্নতির জন্য তিনি যে পদক্ষেপ নিয়েছেন, তার স্বীকৃতি দিল বিশ্ব ইকোনমিক ফোরাম। জয় শাহের আমলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০ দলের হয়েছে। এবার মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ১২ দলের হবে। বিশ্বের বহু দেশে ক্রিকেটকে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি তুলনায় কম শক্তিশালী দেশগুলোকে তুলে আনার জন্য ৩৭ বছর বয়সি জয় শাহের চেষ্টা প্রশংসিত হয়েছে।
এছাড়া মহিলা ক্রিকেট নিয়েও তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। বিসিসিআইয়ের পদে থাকার সময় ঘরোয়া ক্রিকেটে মহিলাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি পায়। মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগের বাণিজ্যিক মূল্য বাড়ে। আইসিসি'তে আসার পর মহিলাদের বিভিন্ন টুর্নামেন্টের পুরস্কার মূল্য বেড়েছে। সব মিলিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে জয় শাহ এক গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী চরিত্র।
তবে সমালোচনাও কম হয় না ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পুত্রকে নিয়ে। ক্রিকেটের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত না হয়েও কীভাবে তিনি বোর্ড পরিচালনার দায়িত্ব পেলেন, তা নিয়ে চর্চা চলে। আবার অনেকে সমালোচনা করেন, জয় শাহের কর্তৃত্বের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের আধিপত্য চলে।
