দিন কুড়ি পরেই ভারত-শ্রীলঙ্কায় বসবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। তার আগে বিভিন্ন দেশের পাক বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের বিশ্বকাপ খেলতে আসা নিয়ে রীতিমতো সংশয় তৈরি হয়েছে। তাঁদের ভিসা সমস্যা নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই তোলপাড় ক্রিকেট বিশ্ব। সেই সমস্যা মেটাতে এবার উদ্যোগী হয়েছে জয় শাহর আইসিসি।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে ৪২ জন পাক বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারের ভিসা সংক্রান্ত বিষয়ে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তা খতিয়ে দেখছে ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। ইতিমধ্যেই ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ, রেহান আহমেদ, সাকিব মাহমুদরা ভিসা পেয়ে গিয়েছেন বলে খবর। নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটার ও কানাডার সাপোর্ট স্টাফ শাহ সালিম জাফরেরও ভিসা সমস্যা মিটেছে। বাকিরাও আগামী সপ্তাহের মধ্যে ভিসা পেয়ে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে আসা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিস্তর জলঘোলা হয়েছে ক্রিকেট মহলে। সঙ্গে শুরু হয়েছিল নয়া বিতর্ক। দিন কয়েক আগে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মার্কিন তারকা আলি খান দাবি করেন, তাঁকে এবং তাঁর চার সতীর্থকে বিশ্বকাপে খেলতে আসার ভিসা দিচ্ছে না ভারত। আরও তিন ক্রিকেটার সায়ান জাহাঙ্গির, মহম্মদ মহসিন এবং এহসান আদিলকেও ভিসা দেওয়া হয়নি। মার্কিন ক্রিকেট সংস্থা এই ইস্যুতে মুখ খুলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসার আবেদন খারিজ করা হয়নি। ভিসার কাজ এখনও চলছে। হয়তো পাকিস্তানি বংশোদ্ভূতদের ভিসা পেতে কিছুটা সময় লাগবে।
আমেরিকার ক্রিকেটাররা ছাড়াও সব মিলিয়ে অন্তত আট দেশ প্রভাবিত হয়েছে ভিসা ইস্যুতে। এর মধ্যে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিশাহী, ওমান, নেপাল, কানাডা, ইংল্যান্ড, জিম্বাবোয়ে এবং নেদারল্যান্ডসের মতো দেশ। সেখানে পাক বংশোদ্ভূত ক্রিকেটাররা রয়েছেন। ভারতের নিয়ম অনুযায়ী, পাকিস্তানে যাঁদের জন্ম তাঁরা যে দেশেরই নাগরিক হন না কেন, তাঁদের ভিসার আবেদনের সময় পাকিস্তানের পরিচয় উল্লেখ করতে হয়। আর ভারত ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক যেহেতু এখন তলানিতে, তাই ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে খানিকটা সময় লাগবে। ফলে সমস্যা দ্রুত মিটবে বলেই আশা করা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, আইসিসি বিভিন্ন দেশের ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। নথির কারণে কোনও ক্রিকেটারের ভিসা যাতে আটকে না যায়, সেসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
